চাকরি হোক বা গবেষনা, H.S-এর পর যে কোর্স আপনার জন্য খুলে দেবে সাফল্যের দরজা

উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশের পর শুরু হয়ে গেছে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জোর। স্নাতকে কোন বিষয় নিয়ে পড়লে ভবিষ্যতে সাফল্যের দরজা খুলে যাবে? সহজেই চাকরি মিলবে? নাকি গবেষণামূলক প্রকল্পে কাজ শুরু করা যাবে? এই নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছেন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকরা।
বর্তমান সময়ে অনেকেই উচ্চ মাধ্যমিকের পর প্রথাগত শিক্ষার বদলে বেছে নিচ্ছেন পেশাদারি কোর্স। বিশেষ করে কর্মসংস্থানের কথা মাথায় রেখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পেশাদারি কোর্সগুলির মধ্যে সেরা বিকল্প হতে পারে কৃষিবিদ্যা। তাদের মতে, আগামীদিনে কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
তথ্য প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে কেন কৃষিকে আঁকড়ে ধরতে বলছেন শিক্ষাবিদরা? তাদের যুক্তি, বিশ্ব উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে কৃষিতে। এর আঁচ থেকে বাঁচতে পারবে না ভারতও। আগামী দিনে খাদ্যের চাহিদা মেটাতে এদেশে বীজ নিয়ে গবেষণার চাহিদা বাড়বে।
এছাড়াও ফসলের বাম্পার ফলনের জন্য কৃষি পদ্ধতিতে বদলের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে সরকার। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জকে সামলে কীভাবে তা করা যাবে, তা একমাত্র বলতে পারবেন কৃষি বিশেষজ্ঞরাই। ফলে ভারতের মতো কৃষি ভিত্তিক দেশে এই কোর্স জানা থাকলে কর্মসংস্থানের অভাব হবে না বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।
কৃষিবিদ্যায় স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি প্রাপ্তদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ:
সরকারি দফতরে অফিসার পোস্টে
কৃষি উন্নয়ন আধিকারিক
রুরাল ডেভলপমেন্ট অফিসার
এগ্রিকালচার অ্যান্ড প্রবেশনারি অফিসার
বিভিন্ন সংস্থায় সিড অফিসার (বীজ নিয়ে গবেষণা)
কৃষিবিদ্যা নিয়ে পড়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা:
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
দ্বাদশে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে उत्तीर्ण
কৃষিবিদ্যা নিয়ে পড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়:
বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়
সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্রেনওয়ার বিশ্ববিদ্য