Money: মধ্যবিত্তের টাকার টানাটানি, 5 বছরে ব্যাঙ্কের সেভিংস পৌঁছে গেছে সর্বনিম্নে

লোকসভা ভোটের আগে উঠে এল চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট: এদেশের মধ্যবিত্তদের ক্রমশ কমছে সঞ্চয়। আর্থিক চাহিদা পূরণের জন্য ঋণ নেওয়ার দিকে ঝুঁকছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের দাবি: গত কয়েক বছরে ভারতীয়দের মধ্যে বেড়েছে রিয়েল এস্টেট ও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের প্রবণতা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঋণ নেওয়ার পরিমাণও। যার জের ধরে মধ্যবিত্তদের নিট আর্থিক সঞ্চয় হ্রাস পাচ্ছে।

পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এদেশের পরিবারগুলির আর্থিক সঞ্চয়ের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে ৪০ শতাংশ। যা গত ৫ বছরের নিরিখে সর্বনিম্ন।

শেষ ৩ বছরে প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে এদেশের পরিবারগুলির লোনের পরিমাণ।গত ৫ বছরে ভারতীয়রা শেয়ার ও ডিভেঞ্চারে বিনিয়োগ করেছেন ২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ।স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলিতে কমেছে বিনিয়োগ।

২০২২ ও ২০২৩ অর্থবর্ষে আর্থিক দায়ভার বেড়ে যথাক্রমে ৮ লাখ ৯৯ হাজার কোটি ও ১৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটিতে পৌঁছে গিয়েছে।ব্যাঙ্ক ঋণের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

কেন এই অবস্থা?
আর্থিক বিশ্লেষকদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি, করের হার বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের অভাব, অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা ইত্যাদি কারণে মধ্যবিত্তদের আর্থিক চাপ বেড়েছে।

রিয়েল এস্টেট ও শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে অনেকে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করছেন।সুদের হার কম থাকায় অনেকে সহজেই ঋণ নিচ্ছেন।

মধ্যবিত্তদের ক্রমশ কমে আসা সঞ্চয় ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ঋণের উপর নির্ভরশীলতা কমানো জরুরি।
সরকারের উচিত মধ্যবিত্তদের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।