রোগী ভর্তি হলে নিজেই ‘করতেন’ অপারেশন! জেনেনিন কে এই ‘ডাক্তারবাবু’ মিল্টন?

বাংলাদেশের ঢাকার মিরপুর থেকে গ্রেফতার মিল্টন সমাদ্দার, ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার’ আশ্রয়কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা। তার বিরুদ্ধে মানব পাচার, জাল মৃত্যু সার্টিফিকেট তৈরি, টর্চার সেলে মানুষজনকে নির্যাতন এবং অর্থ আত্মসাৎ-সহ ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের তালিকা:
মিল্টনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে সে অসহায় মানুষদের বিদেশ পাচার করত। মৃত ব্যক্তিদের নামে ভুয়া মৃত্যু সার্টিফিকেট তৈরি করে সে অর্থ আত্মসাৎ করত বলে অভিযোগ। আশ্রয়কেন্দ্রে একটি টর্চার সেল থাকার খবর পাওয়া গেছে যেখানে অসহায় মানুষদের নির্যাতন করা হত। দান করা অর্থ আশ্রয়কেন্দ্রের উন্নয়নের পরিবর্তে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করত মিল্টন। অসহায়দের কিডনি চুরি করে বিক্রি করারও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে তার সেই আশ্রয় স্থলে নতুন কেউ এলেই তাদের কিছুদিন পর করা হতো অপারেশন। আর এই অপারেশন করতেন মিল্টন নিজেই।
মিল্টনের উত্থান:
বরিশালের উজিরপুরে জন্মগ্রহণকারী মিল্টনের বিরুদ্ধে নিজের বাবাকে পেটানোর অভিযোগে এলাকাবাসী তাকে তাড়িয়ে দেয়।এরপর ঢাকায় এসে একটি ফার্মেসিতে কাজ নেয় সেখানে ওষুধ চুরির অভিযোগে চাকরি হারায়।একজন নার্সকে বিয়ে করে মিরপুরে ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’ নামে একটি আশ্রয়কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে।
সম্প্রতি সাভারে জমি কিনে আশ্রয়কেন্দ্রের স্থায়ী নিবাস বানানোর অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।
গ্রেফতার ও তদন্ত:
বেশ কিছুদিন ধরে মিল্টনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসছিল।মিল্টন সকল অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার সহকর্মীরা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন।এরপর মিরপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
জাল মৃত্যু সার্টিফিকেট, টর্চার সেল, মানবপাচার এবং অর্থ আত্মসাৎ-সহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়।বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তার স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন–অর–রশীদ মিল্টনের বিরুদ্ধে উঠে আসা অভিযোগগুলিকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মন্তব্য করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে যে মিল্টনের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভ