বিশেষ: রাম নবমীর আগে জেনে নিন রাম সম্পর্কে এই ৯টি চমকে দেয়া তথ্য

রাম নবমী উপলক্ষে রাম সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জেনে নিন যা হয়তো আপনি জানেন না:

১. সীতা স্বয়ম্বরে যাননি রাম:

শ্রী রামচরিতমানসে সীতা স্বয়ম্বরের কথা থাকলেও বাল্মিকী রামায়ণে এর কোনও উল্লেখ নেই। রাম ঋষি বিশ্বামিত্রের সাথে মিথিলায় গিয়ে শিব ধনুক ভেঙে সীতার স্বামী হন।

২. বিয়ের সময় রামের বয়স কত ছিল?

বাল্মিকী রামায়ণ অনুযায়ী, বিয়ের সময় রামের বয়স ছিল ১৩ বছর এবং সীতার বয়স ছিল ৬ বছর। বনবাসে যাওয়ার সময় রামের বয়স ছিল ২৫ বছর এবং সীতা ছিলেন ১৮ বছর বয়সী।

৩. পরশুরাম ও লক্ষ্মণের মধ্যে বিবাদ হয়নি:

রামচরিতমানস অনুযায়ী সীতা স্বয়ম্বরের সময় পরশুরাম ও লক্ষ্মণের বিবাদ হয়েছিল। কিন্তু বাল্মিকী রামায়ণে বলা হয়েছে, রাম বিয়ে করে অযোধ্যা ফেরার সময় পরশুরামের সঙ্গে দেখা হয়েছিল।

৪. কেন রামের হাতেই রাবণ বধ হয়:

রঘুবংশের রাজা অনরণ্যের সঙ্গে যুদ্ধে রাবণের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে অনরণ্য রাবণকে অভিশাপ দেন যে, রঘুবংশের এক যুবকের হাতেই তার মৃত্যু হবে। রাম রঘুবংশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনিই রাবণকে বধ করেন।

৫. কম্বধকে শাপমুক্ত করেন রাম:

বনে সীতার খোঁজ করার সময় রাম কম্বধ নামক এক রাক্ষসকে বধ করেন। রাম কম্বধের দাহসংস্কার করলে কম্বধ শাপমুক্তি লাভ করে।

৬. লক্ষ্মণ নয়, ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন রাম:

রামচরিতমানসে বলা হয়েছে যে সমুদ্র বানর সেনাকে লঙ্কা যাওয়ার পথ না-দিলে লক্ষ্মণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। কিন্তু বাল্মিকী রামায়ণ অনুযায়ী, রামই সমুদ্রের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

৭. রামের জন্য রথ পাঠিয়েছিলেন ইন্দ্র:

রাম-রাবণ যুদ্ধের শেষে ইন্দ্র রামের জন্য রথ পাঠান। রাম সেই রথে বসেই রাবণকে বধ করেন।

৮. ৩১টি তীরে মৃত্যু হয় রাবণের:

শ্রীরামচরিতমানস অনুযায়ী, রাম একসাথে ৩১টি তীর নিক্ষেপ করে রাবণকে বধ করেন।

৯. রাম নামের মহিমা:

রাম বিষ্ণুর সপ্তম অবতার। বিষ্ণু সহস্ত্রনামের ৩৯৪তম নামই রাম।

উল্লেখ্য:

এই তথ্যগুলো বাল্মিকী রামায়ণ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। রামচরিতমানস ও অন্যান্য রামায়ণে রাম সম্পর্কে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যায়।