চিংড়ি কারবারে ১৩৪ কোটির তছরূপ শাহজাহানের: চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো ইডি

চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তকারী সংস্থা ইডির দাবি, শাহজাহানের আত্মসাতের পরিমাণ এক লাফে ছাড়িয়ে গেছে ১০০ কোটি টাকার অঙ্ক।
সন্দেশখালিতে জমি-ভেড়ি দখলের কাজে ঘনিষ্ঠ ও ব্যবসায়ীদের ব্যবহার:
শাহজাহান তার ঘনিষ্ঠদের ব্যবহার করে সন্দেশখালিতে জমি-ভেড়ি দখল করেছিলেন।আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার সাথে যুক্ত কারবারীদের সাহায্য নিয়েছিলেন তিনি।
যেসব ব্যবসায়ী শাহজাহানের কথা শুনতেন না, তাদের কারবার বন্ধের হুমকি দেওয়া হতো বলে অভিযোগ।কয়েকজন ব্যবসায়ী শাহজাহানের বিরুদ্ধে বয়ান দিয়েছেন বলে ইডি সূত্রে খবর।
চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে প্রতারণা:
ইডির তদন্তে জানা গেছে, শাহজাহান ভারত-বাংলাদেশের সঙ্গে চিংড়ি ব্যবসায় যুক্ত একটি নামী সংস্থার কর্ণধারকে চিংড়ি ব্যবসায় টাকা লেনদেনের ভুয়ো বিল তৈরি করতে বলেছিলেন।ওই ব্যবসায়ীকে নগদ টাকা দেওয়ার এবং কমিশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
বিনিময়ে, বাকি টাকা ওই ভুয়ো বিলের মাধ্যমে শাহজাহানের নিয়ন্ত্রণে থাকা শেখ সাবিনা ফিশারিজ-এর অ্যাকাউন্টে পাঠানো হতো।
ইডির দাবি, সন্দেশখালিতে ভেড়ি এবং জমি দখলের টাকা এই ভাবেই মাছ ব্যবসায়ীর মাধ্যমে কালো থেকে সাদা করা হতো।
বর্তমান অবস্থা:
শাহজাহানকে ভেড়ি-জমি দখলের মামলায় ইডি বিশেষ আদালতে পেশ করা হয়েছে।
তিনি আপাতত ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে থাকবেন।
এই ঘটনাটি রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র তরঙ্গ তৈরি করেছে। বিরোধী দলগুলি শাহজাহানের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।