একাধিক বাসে অচল প্যানিক বাটন, রাজ্যের মন্ত্রীকে নালিশ খোদ বাস-মালিকদের

নির্ভয়ার মতো ঘটনা আর না ঘটে সেজন্য দেশজুড়ে গণপরিবহনে প্যানিক বাটন বসানোর কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু এই ব্যবস্থা কি ঠিকঠাক কাজ করছে?

পাঁচটি যানবাহন মালিক সংগঠন পরিবহণমন্ত্রীকে চিঠি লিখে জানিয়েছে, সরকারি অনুমোদিত সংস্থাগুলি যে ডিভাইস বসাচ্ছে, তা কাজই করছে না। ত্রুটিমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যন্ত্র বসানোর সময়সীমা বাড়ানোর আবেদনও করেছে তারা।

পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, “এত বড় কাজ ত্রুটিমুক্ত হতে সময় লাগবে। খারাপ ডিভাইস দেওয়া হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ভিএলটিডি-র কাজ:
বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের দ্রুত পুলিশি সাহায্য পৌঁছে দেওয়া।বাসে একাধিক প্যানিক বাটন থাকবে।বাটন পুশ করলে কন্ট্রোলরুম ও নিকটবর্তী থানায় বিপদ সঙ্কেত পাঠানো হবে।পুলিশ গাড়ির লাইভ লোকেশন পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যাবে।

অভিযোগ ও সমালোচনা:
প্রথম বরাতপ্রাপ্ত সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও উচ্চ দামের অভিযোগ।বর্তমানে ৮-১০ হাজার টাকায় ডিভাইস বসানো হচ্ছে।ডিভাইস ঠিকমত কাজ করছে না – যানবাহন মালিকদের অভিযোগ।কন্ট্রোলরুমে বার্তা পৌঁছাচ্ছে না।জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করেই যানবাহনের অবস্থান জানা সম্ভব।

পরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্য:
যানবাহন মালিকদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে।ত্রুটিযুক্ত ডিভাইস সরবরাহকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গণপরিবহনে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্যানিক বাটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।ত্রুটি দূর করে দ্রুত এই ব্যবস্থা কার্যকর করার প্রয়োজন।যাত্রী ও যানবাহন মালিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও জরুরি।