১০ মিনিটের ঝড়ে দিশেহারা জলপাইগুড়ি, লাখ লাখ টাকার ক্ষতি, উড়লো ৭০০-৮০০ বাড়ি

মাত্র ১০-১৫ মিনিটের ঝড়ে জলপাইগুড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি, দোকান, গাছপালা – সবকিছুই ঝড়ের কবলে পড়েছে। ঝড়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং অনেকে আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও জলপাইগুড়ির পথে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এক্স হ্যান্ডেলে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জলপাইগুড়ি শহর, ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি সহ বেশকিছু এলাকা।এক হোটেল কর্মীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঝড়ে হোটেলের সমস্ত টিন উড়ে গিয়েছে, খাবারদাবার নষ্ট হয়েছে এবং দোকান ভেঙে গেছে।ঝড়ে গাছ পড়ে একটি টোটও দুমড়েমুচড়ে গেছে।প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আর এই ঝড়ের প্রভাব শেষ হয় বাংলাদেশের ব্রাহ্মণ বাড়িয়াতে গিয়ে।

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন এবং আহতদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রশাসনের তৎপরতার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রায় ৭০০-৮০০ বাড়ি ঝড়ে উড়ে গেছে।আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আজ সোমবার মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস আলিপুরদুয়ারে যাবেন।রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসও আজ জলপাইগুড়ি যাবেন।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও জলপাইগুড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।উল্লেখ্য, ঝড়ের এই ঘটনাটি ‘মিনি টর্নেডো’ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, গাছপালা ভেঙে পড়েছে, ঘরবাড়ির চাল উড়ে গেছে এবং দোকানপাট ভেঙে গেছে। ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও পুরোপুরি বের করা হয়নি। প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্য কাজ করছে।