আইন তিনি ভালো জানেন! লাইসেন্স কাড়লেন সার্জেন্ট, আদালতে গেলো মামলা?

২৬ মার্চ, কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিদ্যাসাগর সেতু ট্র্যাফিক গার্ডের সার্জেন্ট পলাশ হালদার ট্র্যাফিক আইন না-মানার অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী শুভ্রাংশু পাণ্ডার গাড়ি আটকান।

অভিযোগ, আইনজীবীর কাছ থেকে প্রথমে হাজার টাকা দাবি করেন ওই পুলিশকর্মী। টাকা না-দেওয়ায় আইনজীবীর ড্রাইভিং লাইসেন্স কেড়ে নিয়ে সার্জেন্ট তা বাতিল করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

আইনজীবী শুভ্রাংশু পাণ্ডা হাইকোর্টে মামলা করেন।বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ, মামলাটি ওঠে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে।বিচারপতি ওই ট্র্যাফিক সার্জেন্টকে নিজের বক্তব্য জানানোর জন্য ২ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্র্যাফিক সার্জেন্ট পলাশ হালদার দাবি করেন, তিনি দীর্ঘদিন কলকাতা হাইকোর্টের এক বিচারপতির কাছে ডিউটি করেছেন। তাই, আইনের অনেক কিছু তাঁর জানা।
আইনজীবী শুভ্রাংশু পাণ্ডা দাবি করেন, ট্র্যাফিক আইন ভাঙলেও কারও ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়া যায় না।

সার্জেন্ট দীপঙ্কর দত্ত বনাম রাজ্য সরকারের মামলার রায় দেখানো হলেও তা মানতে চাননি।
সার্জেন্ট দাবি করেন, তিনি ক্ষমতাবলে ড্রাইভিং লাইসেন্স কেড়ে নিতে পারেন, এমনকি ভবিষ্যতে তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল করে দিতে পারেন।

ট্র্যাফিক সার্জেন্ট কীভাবে আইন জানেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।ট্র্যাফিক আইন ভেঙে ড্রাইভিং লাইসেন্স কেড়ে নেওয়ার বৈধতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
এই ঘটনা আইন ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

এই ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি:
বিচারপতি ২ এপ্রিল সার্জেন্টের বক্তব্য শুনে রায় দেবেন।এই ঘটনার তদন্ত হতে পারে।ট্র্যাফিক আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।

Editor001
  • Editor001