বাংলা থেকে ৩০০০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ED , জানেন কি উদ্ধার করা টাকা কোথায় যায়?

বাংলা থেকে ৩০০০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ED , জানেন কি উদ্ধার করা টাকা কোথায় যায়?ইডি বাজেয়াপ্ত করা টাকা যায় কোথায়? কোথায় বা কী ভাবে রাখা হয় সেই টাকা?
এক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী –
সবচেয়ে প্রথমে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ও নথির একটি সিজার লিস্ট তৈরি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এরপর কোন নোটে কত টাকা বা কতগুলি বান্ডিল উদ্ধার হয়েছে তা নথিভুক্ত হয়। সঙ্গে নোটগুলি ভালোভাবে পরীক্ষা করেও দেখা হয়।
এরপর ব্যাঙ্কের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলেও উদ্ধার হওয়া টাকা সেখানে জমা করা হয়।পরে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে আদালতের অনুমতি নিতে হয়, এবং সেই কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ইডি-র এসপি পদমর্যাদা অফিসারের নামে করা হয়। এক্ষেত্রে কারেন্ট অ্যাকাউন্টের টাকা বাজারে খাটাতে পারে ব্যাঙ্ক।
অন্যদিকে মোড়া বা খামবন্দি অবস্থায় টাকা পাওয়া গেলে তা রাখা হয় মালখানায়। পাশাপাশি কত টাকা, কী অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে সেটিও জানাতে হয় আদালতকে। বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য সমস্ত নথির সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে মালখানায় রাখা হয় ওই খামবন্দি টাকা। এক্ষেত্রে আদালতে প্রমাণ হিসেবে পেশ করার কোনও নথি থাকলে তা ইডি নিজের হেফাজতে রাখে।
উল্লেখ্য, পিএমএল আইনের ধারা অনুযায়ী, সম্পত্তি অ্যাটাচ করার অধিকার রয়েছে এনফোর্সটমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে। কিন্তু সেক্ষেত্রে ১৮০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রমাণ করতে হয় যে ওই সম্পত্তি অবৈধ। আর যদি বাজেয়াপ্ত করা টাকা অবৈধ বলে প্রমাণিত না হয়, তাহলে তা সুদসহ ফেরত দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। অপরদিকে টাকা অবৈধ বলে প্রমাণিত হলে, তা জমা পড়ে সরকারি কোষাগারে।