ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আলোচনায় ‘ল্যারি দ্য ক্যাট’, জেনেনিন কারণ ?

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পদত্যাগ করেছেন। এখন আলোচনা হচ্ছে—কে হবেন প্রধানমন্ত্রী। এ আলোচনায় যুক্ত হয়েছে ল্যারির নাম। তবে, ল্যারি কোনো মানুষের নাম নয়। এটি আসলে একটি বিড়াল। তবে, ল্যারি কোনো সাধারণ বিড়াল নয়।

ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা কার্যালয়ের ‘চিফ মাউসার’ এ বিড়াল। বরিস পদত্যাগের পর ল্যারির বেশকিছু ভিডিও ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়েছে। এর মধ্যে বিবিসির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ল্যারি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢোকার জন্য অপেক্ষা করছিল বিড়ালটি। এ কার্যলয়েই তার বেশির ভাগ সময় কাটে।

বরিস জনসন তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে বিবিসির সংবাদদাতা রোস অ্যাটকিন্স ডাউনিং স্ট্রিট থেকে লাইভ রিপোর্ট করেন। রোস অ্যাটকিন্স তাঁর ক্যামেরাটি ল্যারি দ্য ক্যাটের ওপর জুম করেন এবং একজন লোককে বলতে শোনা যায়, ‘ল্যারি, আপনি কি তাঁকে (বরিস জনসন) পদত্যাগ করতে বলছেন?’

ভিডিওটি নিয়ে টুইটারে ব্যাপক রসাত্মক আলোচনা শুরু হয়েছে। টুইটারে একজন বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি—আমাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ল্যারিকে ভোট দেওয়া উচিত। কনজারভেটিভ পার্টির যেকোনো নেতার চেয়ে ল্যারি তার কাজটা ভালোভাবে করেছে।’

এদিকে, ল্যারি দ্য ক্যাটের টুইটার হ্যান্ডেল থেকেও যুক্তরাজ্যে উদ্ভূত সংকট নিয়ে মজার বার্তা পোস্ট করা হচ্ছে। টুইটে বলা হয়, ‘আমি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে ইচ্ছুক। কারণ, এটি বরিস জনসনের এক মিনিটের বেশি সময় ধরে ঝুলে থাকার ধারণার চেয়ে স্পষ্টতই কম হাস্যকর।’

ডাউনিং স্ট্রিট বেশকিছু দায়িত্বও পালন করে থাকে ল্যারি। ব্রিটিশ সরকারের ওয়েব সাইটে ল্যারির পরিচয় উল্লেখ রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইঁদুর ধরার বিশেষ ক্ষমতার জন্য ল্যারিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ল্যারি এ কার্যালয়ে রয়েছে।

বরিস জনসনের পদত্যাগের গুঞ্জন শুরুর পর থেকে বেশ কিছু মজার টুইট করা হয়েছে ল্যারির অ্যাকাউন্ট থেকে। বরিসের পদত্যাগের দিন একটি টুইটে লেখা হয়েছে, ‘বরিস জনসন যদি সকাল ১০টার মধ্যে পদত্যাগ না করেন, তাহলে আমি তাঁর জুতোয় পায়খানা করতে বাধ্য হব।’

বরিস পদত্যাগের পর সে টুইট বার্তাটি আবার শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘বরিসেক পদত্যাগ করাতে সক্ষম হয়েছি।’