বাংলাদেশে ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান, ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাকে বাড়ছে আশঙ্কা

গত কয়েক মাস ধরে “ইন্ডিয়া আউট” স্লোগানটি বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের একটি অংশ ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিচ্ছে। এই প্রচারণায় সম্প্রতি বিএনপি ও আরও কিছু সংগঠন যোগদান করেছে।

তিস্তা নদীর জল না পাওয়া মসজিদ ভেঙে রাম মন্দির নির্মাণ হাসিনা সরকারের সাথে ভারতের ‘বোঝাপড়া’

ভারতীয় রপ্তানিকারকদের উদ্বেগ, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রভাব

আওয়ামী লিগ এই প্রচারণার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছে।বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার আনদালিব ইলিয়াস মনে করেন, এই ঘটনা সাময়িক এবং দুই দেশের মৈত্রী নষ্ট হবে না।

ভারতের প্রতিক্রিয়া:
ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং পণ্য বয়কটের ডাককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে না।বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর মনে করেন, মিডিয়ায় দেখানো সবকিছু বিশ্বাস করার দরকার নেই।

ভবিষ্যৎ:
বয়কটের ডাক কতদিন টিকবে তা অনিশ্চিত।বাংলাদেশের ভারতের উপর নির্ভরশীলতার কারণে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের সম্ভাবনা কম।

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের বক্তব্য:

মহদিপুর এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেছেন “এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি ঠিকই, তবে ভবিষ্যতে কী হবে বুঝতে পারছি না। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

“বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণমন্ত্রী ও আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন “ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করারদুরভিসন্ধি বিএনপির মানসিক বৈকল্যের বহিঃপ্রকাশ। যাঁরা বয়কটের কথা বলছেন, দেশের মানুষ তাঁদেরই বয়কট করে দেবে।”নর্থবেঙ্গল এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ব্রিজকিশোর প্রসাদ বলেছেন “বাংলাদেশ নানাভাবে ভারতের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ওঁরা বয়কট করলে ওঁরাই সমস্যায় পড়বেন। ফলে বয়কটের ডাক বেশিদিন চলবে না।”