বিশেষ: চড়ুই কমেনি, কমছে ওদের বাসস্থান, বাস্তুতন্ত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন গবেষকরা

অনেকে মনে করেন চড়ুইরা বিপদে নেই।আইইউসিএন-এর রিপোর্টে চড়ুইকে ‘লিস্ট কনসার্নড’ বা নিরাপদ তালিকায় রাখা হয়েছে।তবে, কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় চড়ুইদের বাসস্থান কমছে বলে মনে করেন অনেকে।
পক্ষী গবেষকদের গবেষণা অনুযায়ী, ভারতের শহরাঞ্চলে চড়ুইরা তাদের ৯৪% বাসস্থান হারিয়েছে।’প্রকৃতি সংসদের’ পক্ষীবিদ অপূর্ব চক্রবর্তী বলছেন, শহরের বাড়িঘরের নকশা পরিবর্তনের ফলে চড়ুইদের থাকার জায়গা কমেছে।ঘুলঘুলি, যেখানে চড়ুইরা বাসা বাঁধত, এখন আর তেমন দেখা যায় না।
চড়ুইরা প্রধানত বীজ ভক্ষণ করে।কিন্তু শহরে ঘাসজমির অভাবের ফলে তাদের খাবার সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে।
পুরোনো কলকাতার গল্প’ সংগঠনের জয়ন্ত সেন বলছেন, চড়ুইদের সংখ্যা কমেনি, বরং তারা মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।চড়ুইরা মানুষের চারপাশে থাকতে ভালোবাসে এবং মানুষের ফেলে দেওয়া খাবার খায়।
পাখিপ্রেমীদের মতে, শহর থেকে চড়ুইদের সরে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।আন্তর্জাতিক চড়ুই দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় অবৈজ্ঞানিক নগরায়নের বিপদ
সম্পর্কে।
চড়ুইদের সংখ্যা কমছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, তাদের বাসস্থান ও খাদ্যের অভাবচড়ুইদের ক্রমশ গ্রামের দিকে চলে যাওয়া বাস্তুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর আন্তর্জাতিক চড়ুই দিবস আমাদের নগরায়নের নীতি নিয়ে ভাবতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিতে অনুপ্রাণিত করে।