কমিশনের নজরে পানশালা ও মদের দোকান! ভোটের সময় সুরাপ্রেমীদের জন্য বিশেষ নিয়ম?

মদ খাইয়ে ভোট আদায়ের অভিযোগ বারবার উঠে আসে। ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য মদ বিলির বিষয়ে সতর্ক নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের আবগারি দফতরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়:

মদের দোকান ও পানশালায় নজরদারি: ভোটের সময় মদের দোকান ও পানশালায় বিশেষ নজর রাখা হয়। কোনও দোকানে মদের বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে গেলে তার কারণ খতিয়ে দেখে আবগারি দফতর।

আন্তঃরাজ্য সীমানা সিল: ভোটের সময় ওডিশা, ঝাড়খণ্ড, সিকিম, ভুটানের মতো প্রতিবেশী রাজ্য ও দেশ থেকে কম দামে মদ ঢোকা রোধে আন্তঃরাজ্য সীমানা সিল করা হয়।

নাকা চেকিং: ভোটের আগে ও পরে রাস্তায় নাকা চেকিং করে মদের অবৈধ পরিবহন রোধ করা হয়।

প্রচারণা: ভোটারদের সচেতন করার জন্য আবগারি দফতর বিভিন্ন প্রচারণা চালায়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:

১. ভোট ঘোষণার পর মদ নিয়ে গাড়িতে যাতায়াতে কোনও আইনি বাধা রয়েছে?

না, আলাদা কোনও নিয়ম নেই। সারা বছর ধরে যে পরিমাণ মদ ঘরে খাওয়ার জন্য কেনা যায় বা ক্যারি করা যায়, ভোটের সময়ও তাই থাকে।

২. কতটা মদ বাড়িতে রাখা যায়?

১২ লিটার IML বা দেশি মদ
বিদেশি মদের ক্ষেত্রে কোনও সীমা নেই, তবে শুধুমাত্র নিজের পানীয় হিসেবে। বিক্রি করা চলবে না।

৩. মদ কিনলেই কী বিল থাকা কি বাধ্যতামূলক?

বিল থাকলে ভালো, তবে আইনে বাধ্যতামূলক নয়।

মদ এবং রাজ্যের পরিস্থিতি:

গত কয়েক বছরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভোটের সময় মদ বিলির প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই প্রবণতা রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজ্যের আবগারি দফতরও কমিশনের নির্দেশিকা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট।

আশা করা যায়, এই পদক্ষেপগুলি ভোটের সময় মদ বিলি রোধে কার্যকর হবে।