উচ্চ মাধ্যমিকে শুরু টিচিং লার্নিং, জেনেনিন নতুন পদ্ধতি কেমন হবে?

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE) আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ‘টিচিং লার্নিং’ নামে একটি নতুন পদ্ধতি চালু করতে চলেছে। এই পদ্ধতিতে পঠন-পাঠনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আসবে।
কীভাবে কাজ করবে এই ‘টিচিং লার্নিং’?
সেমেস্টার:
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি মিলে মোট ৪টি সেমেস্টার হবে।
প্রতি সেমেস্টারের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা থাকবে।
প্রথম সেমেস্টারে ১০০ ঘণ্টা, দ্বিতীয় সেমেস্টারে ৮০ ঘণ্টা, এবং রিমেডিয়াল, টিউটোরিয়াল ও হোম অ্যাসাইনমেন্টের জন্য ২০ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মূল্যায়ন:
নম্বর পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসবে।যে বিষয়গুলিতে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা আছে, সেগুলির নম্বর ভাগ করা হবে ৭০ ও ৩০-এ।থিওরির ৭০ নম্বরের আবার ২টি ভাগ থাকবে (প্রতি ভাগে ৩৫ নম্বর)।শারীরশিক্ষা, মিউজিক ও ভিজুয়াল আর্টস এই তিনটি বিষয় বাদ দেওয়া হবে।যে বিষয়গুলিতে কোনও প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নেই, সেগুলির নম্বর ভাগ করা হবে ৮০ ও ২০-তে।প্রজেক্টের জন্য থাকবে ২০ নম্বর।৮০ নম্বরকে আবার ২টি সেমেস্টারের জন্য ৪০ নম্বরে ভাগ করা হবে।
উত্তীর্ণতা:
দ্বাদশের সেমেস্টার পরীক্ষায় বসতে হলে একাদশে প্র্যাকটিক্যাল ও থিয়োরি মিলিয়ে সংসদের ধার্য করা পাশ নম্বর পেতে হবে।অর্থাৎ ৭০-র মধ্যে 21 নম্বর না পেলে দ্বাদশের সেমেস্টারে বসতে পারবে না কোনও পড়ুয়া।থিওরি পেপারের ক্ষেত্রে 80 নম্বরের মধ্যে পেতে হবে 40।
পরীক্ষার সময়সীমা:
একাদশের ২টি ও দ্বাদশের প্রথম সেমেস্টারে দেড় ঘণ্টা সময় পাবে পড়ুয়ারা।চতুর্থ সেমেস্টারে 2 ঘণ্টা সময় রাখছে সংসদ।আলাদা করে প্রশ্নপত্র পড়ার কোনও সময় দেওয়া হবে না।
নতুন পাঠ্যসূচি:
১১ বছর পর উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচি বদলাচ্ছে সংসদ।বাংলায় শ্রীজাতর কবিতা ঠাঁই পেতে চলেছে।ইতিহাসে অতি আধুনিক বা পোস্ট মর্ডান যুগকে সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।এছাড়াও পড়ানো হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তি।