“CAA-র বিষয় নিয়ে মুখ খুললো পাকিস্তান, ‘কড়া নজর থাকবে’ বললো আমেরিকা

গোটা দেশে কার্যকর হয়েছে সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। এরপর থেকেই দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বিরোধী দলগুলি একযোগে এই আইনের বিরোধিতা করছে।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ-র তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘সিএএ-র সঙ্গে এনআরসি-র সম্পর্ক রয়েছে।’ মমতা আরও স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘বর্ণবৈষম্যের সিএএ আমি মানি না।’
মমতার এই বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছেন, ‘বিজেপি খুব তাড়াতাড়ি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসবে। সেই দিন আর বেশি দূরে নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় অনুপ্রবেশ বন্ধ করবে।’
সম্প্রতি CAA নিয়ে বিবৃতি জারি করেছে পাক সরকার। শেহবাজ শরীফের সরকারের মতে, সিএএ ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করতে চলেছে। একই সাথে ভারতীয় মুসলিমদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভারতীয় মুসলমানদের এই আইনকে ভয় পাওয়ার দরকার নেই কারণ CAA তাদের নাগরিকত্বকে প্রভাবিত করবে না।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচের কথায়, ‘এটি স্পষ্ট যে CAA এবং এর নিয়মগুলি বৈষম্যমূলক কারণ তারা ধর্মের নামে মানুষকে বিভক্ত করে।’
মুমতাজ বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে ভারতের মধ্যে সংখ্যালঘুদের টার্গেট করা হবে না এবং সরকার এই দিকে পদক্ষেপ নেবে।’
মার্কিন মুলুক জানিয়েছে, তারা তারা CAA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এটির উপর নজর রাখছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের কথায়, ‘ভারত ১১মার্চ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এই আইন কীভাবে কার্যকর হবে সেদিকে আমরা গভীর নজর রাখছি। ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনের অধীনে সকল সম্প্রদায়ের প্রতি সমান আচরণ মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতি।’