‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দিয়েছিলেন অর্জুন সিং!’ -দাবি করলেন শুভেন্দু

বর্তমান নৈহাটির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ। এবার তাঁকে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করল দল। আর পার্থ ভৌমিককে প্রার্থী করার পরেই ক্ষোভের সুর ধরা পড়ল অর্জুন সিং-এর গলায়।
এদিন অর্জুন সিং বলেন, ‘আমি ব্যারাকপুরকে বেছে নিয়েছিলাম, ব্যারাকপুরে লড়ব, ব্যারাকপুরের বাইরে লড়ব না। দীর্ঘ টালবাহানার পর শেষ পর্যন্ত টিকিট দেওয়া হল না। এটা জীবনের অঙ্গ। দুঃখ শুধু এটাই, যদি দল আগে বলে দিত যে দেব না, সেভাবে চিন্তাভাবনা করতাম। দলের দায়িত্ব কেন নেব? দেড় বছর ধরে দলের দায়িত্বে ছিলাম না, শুধু সাংদ ছিলাম। আমাকে বলা হয়েছিল যে ব্যারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে, যে দলে নিয়ে এসেছিল সেই বলেছিল। এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। শেষ মুহূর্তে বলে দেওয়া হল টিকিট দেওয়া হবে না। এটা বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে, ধোকা দেওয়া হয়েছে, এটা ঠিক হয়নি।
আরও বলেন, ‘আমি মরশুমী ফল নয়, বারো মাসের ফল। সবসময় রাজনীতিতে থাকি,মানুষের সঙ্গে থাকি। মনে আক্ষেপ তো থাকবেই। আমি ব্যারাকপুরের মানুষকে ঠকাইনি। ব্যারাকপুরকে ছেড়ে যাব না, এখানে জন্মেছি, এখানে মরব।’
রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, ‘দ্রৌপদী মুর্মু… পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মোট ৩৪ জন সাংসদ ভোট দিয়েছিলেন। একজনও বিজেপির সাংসদ ছিলেন না। বিজেপির সাংসদরা দিল্লিতে ভোট দিয়েছিলেন। এখান রাজ্যসভা ও লোকসভা মিলিয়ে ৩৩ জন তৃণমূলের সাংসদ ভোট দিয়েছিলেন, আর একজন ডালুবাবু এখানে ভোট দিয়েছিলেন। তাতে ৩৪টি ভোটই আমাদের বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার পাওয়ার কথা। কিন্তু ২টো ভোট বাতিল হয়েছিল। ২টো ভোট দ্রৌপদী মুর্মু পেয়েছিলেন, তার মধ্যে একটা অর্জুন সিংয়ের ছিল।’
বিজেপি তাঁকে গ্রহণ করবে কি না, সেই বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি শুভেন্দু। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অর্জুন সিং কী সিদ্ধান্ত নেবেন, দল তাঁকে গ্রহণ করবে কি না, এটা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিষয়, এটাতে আমার কিছু বলার নেই।’