“অনুব্রতর হোলিও কাটবে তিহারের জেলে”-মামলার পরবর্তী শুনানি হবে এপ্রিলে

দুর্গাপুজো, কালীপুজোর পর এবার আসন্ন দোলেও তিহারেই থাকতে হবে অনুব্রত মণ্ডলকে। মঙ্গলবার দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে ভার্চুয়ালি পেশ করা হয় অনুব্রত মণ্ডল, সুকন্যা মণ্ডল, এনামুল হক সহ গোরু পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত তিহার জেলে থাকা প্রত্যেক বন্দিকে।

ইডির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়:
গোরু পাচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলা।আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে এই মামলা যুক্ত।কয়েকশো কোটি টাকার পাচারের তথ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।
এখনও এই মামলার বহু সাক্ষ্য ও প্রমাণ অন্তরালেই রয়েছে।তার জন্য আরও তদন্ত প্রয়োজন।সব শুনে আগামী ২৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে আদালত।

গরু পাচার মামলায় প্রথমে সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হন বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল।পরে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডিও।
একটা সময় আসানসোল সংশোধনাগারে দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন তিনি।পরে তাঁকে তিহারে নিয়ে যাওয়া হয়।বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন অনুব্রত।পরবর্তীতে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকেও।তিনিও বর্তমানে তিহারেই রয়েছেন।তবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য প্রথম থেকেই অনুব্রত মণ্ডলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি বীরভূমে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিভিন্ন চক্রান্ত চলছে, বীরভূমেও চলছে, কেষ্টকে কতদিন ধরে জেলে ঢুকিয়ে রেখেছে, তবে মানুষের মন থেকে কেষ্টকে দূর করতে পারেনি। আসার সময় দেখছিলাম বেশিরভাগ তরুণ প্রজন্ম কেষ্টর কথা বলেছে, আমি কিন্তু শিখিয়ে দিইনি, ও কাজ করতে জানে, তাই মানুষের মনে রয়ে গিয়েছে।”

শুধু তাই নয়, অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় বলেছিলেন, “কেষ্ট মুক্তি পাবে, আর ওকে বীরের সম্মান দিয়ে নিয়ে আসতে হবে।”এই মুহূর্তে অনুব্রত মণ্ডলের মুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ। ইডির তদন্ত এখনও চলছে এবং আদালতের পরবর্তী রায়ের উপর নির্ভর করবে তাঁর ভাগ্য।