ভোট বয়কটের হুঁশিয়ারি, ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে জনতার ক্ষোভের মুখে মন্ত্রী

হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেন ভাঙন কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করতে গেলে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ শুরু না হলে লোকসভার ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা।মন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করে বলেন, ভাঙন রোধের কাজ মূলত কেন্দ্রের দায়িত্ব।বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, তৃণমূল ভাঙন সমস্যা সমাধানে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

বিস্তারিত:

হরিশ্চন্দ্রপুরের ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রশিদপুর গ্রামে ভাঙনের কবলে পড়ে কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।15 নভেম্বর, 2023 তারিখে, মন্ত্রী তজমুল হোসেন ও বিডিও তাপস পাল ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ বিতরণ করতে গেলে স্থানীয়রা তাদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে।বিক্ষোভকারীরা দ্রুত ভাঙন রোধের কাজ শুরু না হলে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

মন্ত্রী তজমুল হোসেন বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলেও তেমন সফল হননি।তিনি ভাঙন নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজ্যের সেচমন্ত্রীর সাথে কথা বলবেন বলে জানান।মন্ত্রী আরও বলেন, ভাঙন রোধের কাজ মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু কেন্দ্র এ ব্যাপারে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না।বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু মন্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তৃণমূল ভাঙন সমস্যা সমাধানে কোনও আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

তিনি বলেন, তৃণমূল নিয়ন্ত্রিত রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার একে অপরের দিকে দায় চাপিয়ে সমস্যা সমাধানে টালবাহানা করছে।

পরিস্থিতির পরিণাম:
এই ঘটনার ফলে হরিশ্চন্দ্রপুরে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।ভাঙন রোধে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও বেড়েছে।