আশা কর্মীরা এবার কর্ম বিরতিতে, সংশয়ে রাজ্যজুড়ে স্বাস্থ পরিষেবা

সরকারি কর্মীদের সহায়তাকারী হিসেবে কাজ করে থাকেন আশা কর্মীরা। তাদের কাজের উপর নির্ভর করে গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার বুনিয়াদি কাঠামো। কিন্তু নামমাত্র ভাতার বিনিময়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন তারা। সরকারি কর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। কিন্তু সরকার তাদের দাবি পূরণে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজ, শুক্রবার থেকে রাজ্যজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে নামছেন প্রায় ৫০ হাজার আশা কর্মী।
এবার তাই কাজ বন্ধ করে দিতে চলেছেন আশা কর্মীরা। সাত দফা দাবিতে আজ, শুক্রবার থেকে রাজ্যজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে নামছেন রাজ্যের প্রায় ৫০ হাজার আশা কর্মী। ফলে ধাক্কা খেতে চলেছে গুচ্ছ পরিষেবা। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মা, প্রসূতি ও শিশুদের স্বাস্থ্য দেখভালের পরিষেবা।
এই কর্মবিরতির ফলে গ্রামীণ এলাকায় মা, প্রসূতি ও শিশুদের স্বাস্থ্য পরিষেবা, টিকাকরণ কর্মসূচি, গর্ভবতী মহিলাদের দেখাশোনা, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবায় বড় ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কর্মবিরতির কারণ:
নামমাত্র ভাতা, সরকারি কর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়া
দীর্ঘদিন ধরে ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন
সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণে কোন পদক্ষেপ না নেওয়া
কর্মবিরতির প্রভাব:
গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় ধাক্কা
মা, প্রসূতি ও শিশুদের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত
টিকাকরণ কর্মসূচি ব্যাহত
গর্ভবতী মহিলাদের দেখাশোনা ব্যাহত
পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি ব্যাহত
পুষ্টি সচেতনতা কর্মসূচি ব্যাহত
সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ব্যাহত
সমাধানের উপায়:
সরকারের পক্ষ থেকে আশা কর্মীদের দাবি পূরণ
ভাতা বৃদ্ধি
সরকারি কর্মীদের মতো সুযোগ-সুবিধা প্রদান
আশা কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন
আশা কর্মীদের কর্মবিরতি গ্রামীণ এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্যে বড় ধাক্কা হতে পারে। সরকারের উচিত দ্রুত তাদের দাবি পূরণ করে এই সমস্যা সমাধান করা।