সন্দেশখালির মানুষের জন্য সুখবর! নদী যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়নের জন্য উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। এবার এই এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লক জেলার একেবারে শেষপ্রান্তে অবস্থিত। এলাকার অর্থনীতির মূল ভিত্তি হল মৎস্যচাষ। অভিযোগ ছিল, মৎস্যচাষীরা তাদের উৎপাদিত চিংড়ি, ভেটকি বাইরে বিক্রি করতে পারতেন না। সন্দেশখালিতে যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হল জলপথ। অভিযোগ ছিল, নদীর জেটিঘাট সরকারের হলেও তা নিয়ন্ত্রণ করতেন স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি।ভৌগলিকভাবে সন্দেশখালির দু’টি ব্লকের চারপাশ জলবেষ্টিত। বর্ষাকালে ঝুঁকি নিয়েই বাইক পারাপার করতে হয় বাসিন্দাদের। চার, ছয় বা আরও বেশি চাকার গাড়ি সন্দেশখালিতে নিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই।
রাজ্য পরিবহণ দফতর সন্দেশখালিতে উন্নতমানের জেটিঘাট তৈরির পরিকল্পনা করেছে। নতুন জেটি তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা এলাকার ফেরিঘাটগুলি ঘুরে দেখেছেন। ধামাখালি ও সন্দেশখালির নদীপথে যোগাযোগ আরও সহজ করতে উন্নতমানের জেটি ও ভেসেল তৈরি করা হবে। এই ভেসেলে যাত্রী এবং পণ্যবাহী বড় গাড়িও নদী পারাপার করতে পারবে। হিঙ্গলগঞ্জের আদলেই আধুনিক জেটি ও ভেসেল তৈরি করা হবে সন্দেশখালিতেও। ধামাখালি থেকে ভায়া তুষখালি হয়ে ভেসেল পৌঁছে যাবে সন্দেশখালিতে।
সন্দেশখালির যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। মৎস্যচাষীরা তাদের উৎপাদিত মাছ সহজেই বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। সন্দেশখালির অর্থনীতির উন্নয়ন হবে।
রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ সন্দেশখালির মানুষের জন্য একটি বড় সুখবর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এলাকার যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং অর্থনীতির উন্নয়ন হবে।