গগনযান অভিযানে নতুন মাইলফলক, ইসরোর গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় সাফল্য

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইসরো জানিয়েছে, তাদের সিই২০ ইঞ্জিন গগনযান অভিযানের জন্য প্রস্তুত। এই মর্মে যে পরীক্ষা হয়েছে, তাতে ইঞ্জিনটি সাফল্যের সঙ্গে উতরে গিয়েছে। মহাকাশযানকে কতটা শক্তি প্রদান করতে পারবে এই ইঞ্জিন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা চালাচ্ছিল ইসরো। আসল অভিযানের উৎক্ষেপণের সময়কার পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই পরীক্ষা চালানো হয়।

এই ধরনের ভ্যাকুম ইগনিশন টেস্ট আগেও ৬ বার হয়েছে। এই পরীক্ষাটি ছিল সপ্তম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫০০ মিটার উঁচ্চতায় অবস্থিত মহেন্দ্রগিরিতে ইসরোর প্রোপালশান কমপ্লেক্সে এই সপ্তম পরীক্ষাটি সংগঠিত হয়। এই পরীক্ষায় ইসরোর ইঞ্জিনটি ‘হিউম্যান রেটিং’ লাভ করেছে। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এই ইঞ্জিনকে ৩৯ বার ফায়ার করা হয়েছে। প্রয়োজনের থেকে ২৪৬০ সেকেন্ড বেশি পরীক্ষা করা হয়েছে।

এই ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে তরল অক্সিজেন এবং তরল হাইড্রোজেন। তরল অক্সিজেনকে রাখা হচ্ছে মাইনাস ১৮৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে আর তরল হাইড্রোজেনকে রাখা হচ্ছে মাইনাস ২৫৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

২০২৫ সালের গগনযান মিশনের মাধ্যমে প্রথমবার নিজেদের মহাকাশযানে চাপিয়ে নভোশ্চরদের মহাকাশে পাঠাতে চায় ইসরো। এই অভিযানে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিমি উচ্চতায় একটি মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে ইসরো। সেই যানে থাকবেন তিন মহাকাশচারী। তিনদিন পর সেটি ভারত মহাসাগরে ফিরে আসবে। এই পরীক্ষা গগনযান অভিযানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ইসরোর এই সাফল্য ভারতের মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।