বিশেষ: পরিবারকে নিয়ে লাক্ষাদ্বীপের এই সৈকতে না যাওয়াই ভালো, গেলে পড়বেন লজ্জায়!

লাক্ষাদ্বীপ: নাম শুনলেই মনে ভেসে ওঠে নীল সমুদ্র, সাদা বালির সৈকত, নারকেল গাছের সমারোহ এবং প্রবাল প্রাচীরের অপরূপ সৌন্দর্য। এক সময় এই অঞ্চল সম্পর্কে খুব কম লোকই জানতেন, কিন্তু সাম্প্রতিককালে লাক্ষাদ্বীপ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর মুগ্ধতা:
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাক্ষাদ্বীপ সফর করে সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশে মুগ্ধ হয়েছিলেন। লাক্ষাদ্বীপের সৈকতে বসে প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেশবাসীকেও মুগ্ধ করেছে। এর ফলে লাক্ষাদ্বীপে পর্যটনের আগ্রহ আরও বেড়েছে।
ইতিহাসের সাক্ষী:
লাক্ষাদ্বীপের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে এই অঞ্চলে মানব বসতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের বৌদ্ধ জাতকের কাহিনিতে এই দ্বীপপুঞ্জের উল্লেখ পাওয়া যায়। মধ্যযুগে এই অঞ্চলটি চোল সাম্রাজ্য, কান্নুরের রাজ্য, আরাক্কালের মুসলিম হাউজ এবং টিপু সুলতান কর্তৃক শাসিত হয়েছে।
বর্তমান লাক্ষাদ্বীপ:
বর্তমানে লাক্ষাদ্বীপের দশটি দ্বীপে মানুষ বসবাস করে। এখানকার অধিকাংশ মানুষই মালয়ালম ভাষায় কথা বলেন। লাক্ষাদ্বীপের সংস্কৃতি ভারতীয় সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে।
টপলেস দ্বীপের রহস্য:
লাক্ষাদ্বীপের আগত্তি দ্বীপের একটি অংশ ‘টপলেস বিচ’ বা ‘টপলেস আইল্যান্ড’ নামে পরিচিত। এই অংশে লোকজন পোশাক ছাড়াই থাকতে পারেন। পোশাক বিহীন বা অতি স্বল্প পোশাকে এখানকার পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। হানিমুন কাপলরাও এখানে বেশ নিশ্চিন্তে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় কাটাতে পারবেন।
পরিশেষে:
লাক্ষাদ্বীপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং টপলেস দ্বীপের রহস্য এই সবকিছু মিলিয়ে এক অসাধারণ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করছে।