“খুব বড় সত্য বের হয়ে আসবে”-সন্দেশখালি ইস্যুতে বিস্ফোরক মিঠুন চক্রবর্তী

মিঠুন চক্রবর্তী সন্দেশখালি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে। তিনি বলেছেন, “খুব বড় একটা সত্য বেরিয়ে আসবে। ওটাকে এভাবে আটকে রাখা যাবে না। সত্যটাকে আটকাতেই বিরোধীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে আটকানো যাবে না।”
মিঠুনের ইঙ্গিত, ‘ওখানে একটা বড় ব্যাপার আছে। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী ওঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন।'”
মিঠুন বলেন, ‘আমি ধরে নিলাম, কথাটা ঠিক। কিন্তু, কয়জনকে এভাবে শেখানো যায়, একজন-দুইজন-পাঁচজনকে। এখানে তো হাজার হাজার মহিলা বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এত লোককে কী ভাবে সেখান যায়?’
মিঠুন বলেন, ‘শেখ শাহজাহান সত্যি কারের ভালো মানুষ কি খারাপ মানুষ, কেন মুখ্যমন্ত্রী তার পাশে দাঁড়াচ্ছেন? অনেক কিছু ব্যাপার আছে। কারণ সত্যিটা সামনে ফেটে বেরিয়ে আসবে। সত্যিটা এত বড় ভাবে বেরিয়ে আসবে, সেটা হয়তো সামলাতে পারবেন না। তাই শাহজাহান কে এখন গার্ড দিতেই হবে।'”
মিঠুন বলেন, ‘আমি বলব যে আওয়াজ উঠেছে সেই আওয়াজ যাতে বন্ধ না হয়। আমরা সবাই আপনাদের পেছনে আছি। যারা আপনাদের হুমকি দেবে, আপনাদের কন্ঠস্বর বন্ধ করার চেষ্টা করবে, কিন্তু এই আওয়াজ বন্ধ হবে না।'”
অন্যদিকে, সন্দেশখালি অভিযানের জন্য ছয় সদস্যের একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল গড়েছে বিজেপি। আজ, শুক্রবার সকালেই তাঁরা সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য রওনা দেন। আজকেও বিজেপির কেন্দ্রীয় দলের প্রতিনিধিদের মাঝ রাস্তায় আটকে দেওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি করা আছে বলে তাঁদের সন্দেশখালি ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের তরফে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও চারজন বিধায়ককে নিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। সরবেরিয়ার কাছে তাঁদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছিল। আইনের সাহায্য নিয়ে আজ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে।