‘বাংলাদেশে আর খাদ্যের অভাব নেই, পান্তা এখন শখের খাবার’, দাবি খাদ্যমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার দাবি করেছেন যে বাংলাদেশে আর খাদ্যের অভাব নেই। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সেফ ফুড কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “একসময় আমরা ‘মঙ্গা’তে থাকতাম। সেই সময়ে ত্রাণের চাল দিয়ে খেয়ে বাঁচতে হত।”

মন্ত্রীর দাবি, এখন বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল মজুত আছে এবং তাদের আর চাল আমদানি করার দরকার নেই। তিনি বলেন, “আমরা এখন ভালো মানের চাল খাই।”

মন্ত্রী মজুমদার আরও বলেন, “একটা সময় অনেকে ভাত জলে ভিজিয়ে রেখে পান্তা করে খেতেন। আর এখন তাঁরাই পান্তা শখ করে খান। বৈশাখ মাসে রীতিমতন উৎসব করে পান্তা খান।”

খাদ্যমন্ত্রী নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকেও জোর দেন। তিনি বলেন, “আমরা এখন পুষ্টিকর এবং নিরাপদ খাদ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগ্রাম করছি।”

মন্ত্রী মজুমদার ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমরা জেনেশুনে খাবারে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করি। কিন্তু সেই ব্যবসায়ীরাও ভাবেন না যে অন্য ভেজাল খাবারগুলোও তাকে খেতে হবে।”

চাল এবং খাদ্যপণ্যর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে, মন্ত্রী জানান যে এখন থেকে চালের বস্তায় মূল্য তালিকা, উৎপাদনের তারিখ ও জাত উল্লেখ করতে হবে।

বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, “কৃষি আইন অনুযায়ী ভ্যারাইটি ভিত্তিক দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। সেই দামেই চাল বিক্রি করতে হবে।”

খাদ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব নেই এবং সরকার নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।