এক দেশ, এক ভোট, একসুরে সুর মেলালো তৃণমূল-সিপিএম

‘ইন্ডিয়া’ জোটের সিট শেয়ারিং নিয়ে আলোচনার মধ্যেও ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতির বিরোধিতা করেছে তৃণমূল ও সিপিএম।দু’দলের মতে, এই নীতি দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী।তৃণমূলের দাবি, এটি দেশকে রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে নিয়ে যাবে।সিপিএম মনে করে, এই নীতি অ-গণতান্ত্রিক এবং সংবিধানের পরিপন্থী।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে যেতে না পারলেও তৃণমূলের পক্ষ থেকে বেশ কিছু নতুন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন উচ্চপর্যায়ের কমিটির বৈঠকে তৃণমূল ও সিপিএম ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতির বিরোধিতা করে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে যেতে না পারলেও তৃণমূলের দুই বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।
সুদীপ বলেন, দলত্যাগ বিরোধী আইনকে আরও শক্তিশালী করা উচিত এবং ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতির মাধ্যমে দেশকে রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
কল্যাণের মতে, কেন্দ্রের ভাবনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর উপর হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।
সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘এক দেশ এক নির্বাচন অ-গণতান্ত্রিক এবং আমাদের সংবিধান ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী।’
রামনাথ কোবিন্দ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি যে চিঠি লিখেছেন, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
‘ইন্ডিয়া’ জোটের সিট শেয়ারিং নিয়ে আলোচনার মধ্যেও ‘এক দেশ, এক ভোট’ নীতি নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল ও সিপিএম এই নীতির বিরোধিতা করে কেন্দ্রের উপর চাপ সৃষ্টি করছে।