জ্ঞানবাপীর বেসমেন্টেই লুকিয়ে হিন্দু মন্দিরের রহস্য! জেনেনিন কী কী উদ্ধার করেছে ASI?

মসজিদের ব্যস তয়খানার দক্ষিণ অংশে হিন্দুরা পূজা শুরু করেছে।জেলা বিচারক ড. অজয় কৃষ্ণ বিশ্বেসের নির্দেশ অনুযায়ী এই বেসমেন্টে নিত্য পূজোপাঠ শুরু হয়েছে।
মসজিদের এই অংশে ১৯৯৩ সালের ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়মিত পূজো হত বলে দাবি হিন্দুপক্ষের।তবে তৎকালীন মুলায়ম সিং যাদব সরকার মসজিদের অন্দরে পূজো বন্ধ করে দেয় এবং বেসমেন্ট সিল করে দেওয়া হয়।তারপর মসজিদ চত্বরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ প্রবন্ধন সমিতি অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদকে।
কোর্টের নির্দেশে এবার বারাণসীর জেলাশাসক সেখানে পূজো করার যাবতীয় বন্দোবস্ত করেছেন।মসজিদের অন্দরে ASI যে বৈজ্ঞানিক সার্ভে চালিয়েছিল তাতে জ্ঞানবাপীর অন্দরে এই বেসমেন্টের মধ্যেই হিন্দু দেবদেবীর অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছে।
সেই রিপোর্ট পেশ করে দাবি করেছে হিন্দু পক্ষ।এই বেসমেন্টেই সর্বাধিক বেশি হিন্দু চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ASI রিপোর্টে।
ASI রিপোর্ট অনুযায়ী, বাস্তু শিল্পের সঙ্গে জড়িত নানা হিন্দু চিহ্ন, কারুকার্য করা পাথর, শিলালিপির অংশ, আলাদা আলাদা শাস্ত্রের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে এই বেসমেন্চে।
হিন্দু পক্ষের দাবি অনুযায়ী, জ্ঞানবাপীর বেসমেন্টে পাওয়া গিয়েছে আটটি শিবলিঙ্গ।এ ছাড়াও মোট ২৫৯টি সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে।তার মধ্যে রয়েছে দেবদেবীর মূর্তির ভাঙা খণ্ড, শিবলিঙ্গ, শিলালিপি ইত্যাতি।বেসমেন্টের পশ্চিম দিকের দেওয়ালের দিকে ১১৫টি এবং দক্ষিণ দিকের অংশে ৯৫টি বস্তু পাওয়া গিয়েছে।২৫৯টির মধ্যে ৫৫টি হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
এই মূর্তিগুলোর মধ্যে আটটি শিবলিঙ্গ, বিষ্ণু প্রতিমা, একটি মকর, একটি শ্রীকৃষ্ণ মূর্তি, দু’টি গণেশ মূর্তি, দু’টি হনুমান মূর্তি, দু’টি টেরাকোটা প্রতিমা এবং ৬৬টি ধাতু মূর্তির অংশ রয়েছে।