বীরভূম তৃণমূলে ভাঙন, BJP-তে প্রত্যাবর্তন করলেন অনুব্রতর হাত ধরে আসা শুভ্রাংশু

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য প্রশাসন রাহুল গান্ধীর ন্যায়যাত্রার জন্য সরকারি অতিথিশালা বা স্টেডিয়াম দেওয়ার অস্বীকৃতি জানায়।

বিহার থেকে বুধবার মালদায় প্রবেশ করবেন রাহুল। শুক্রবার বিকেলে বীরভূম হয়ে তাঁর ঝাড়খণ্ডে ঢোকার কথা।

মালদার রতুয়ায় মধ্যাহ্নভোজে কথা রাহুলের। তবে সেচ দপ্তরের যে অতিথিশালায় প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির লাঞ্চ করার কথা ছিল, তার অনুমতি পায়নি কংগ্রেস। আবার মুর্শিদাবাদ জেলায় ঢোকার পর প্রথমে যে স্টেডিয়ামে রাহুলের রাত্রিবাস করার কথা ছিল, তার-ও অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে কংগ্রেসের অভিযোগ।

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রার কোচবিহারের বক্সীরহাট থেকে আমরা রাজ্য প্রশাসনের কোনও সহযোগিতা পাচ্ছি না। পশ্চিমবঙ্গে রাহুলকে এই অসহযোগিতার মুখে পড়তে হবে, এটা আমরা আশা করিনি।’

কংগ্রেস দাবি করে যে, রাহুল সাংসদ পদ ফিরে পাওয়ার পরেও দিল্লিতে থাকার জায়গা তাঁকে দেওয়া হয়নি।

তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘হঠাৎ আমাকে একটি ঘর দিন, আমাকে একটি বারান্দা দিন, বাথরুম দিন—এগুলো হাস্যকর কথাবার্তা। এবার যেহেতু মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক আগে হচ্ছে, তাই প্রতি বছর জেলায় যে খেলা, উৎসব-সহ বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান হয়, তা এবার আগে হচ্ছে। ফলে সরকারি আধিকারিকদের জন্য সরকারি বাংলোগুলো বুক হয়ে রয়েছে। এখন আচমকা যদি ১০টি ঘর চাওয়া হয়, সেখানে ভিআইপি থাকবে বলা হয়, তা হয় নাকি? কোনও পরিকল্পনা ছাড়া শেষ মুহূর্তে তাঁরা চাইবেন—এটা হতে পারে না।’

কংগ্রেস দাবি করে যে, প্রশাসনের পাশাপাশি রাহুল গান্ধীর ছবি দেওয়া ফ্লেক্স, ব্যানার, পোস্টার ক্রমাগত ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে।

তৃণমূলের দাবি, ‘তৃণমূলের কেউ এই সব কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। কংগ্রেসেরই অনেক গোষ্ঠী রয়েছে। কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দলেই এই সব হচ্ছে।’