ধর্মান্তকরণ ও বিয়ে! ৮ হিন্দু-মুসলিম দম্পত্তির নিরাপত্তার আবেদন খারিজ করল হাইকোর্ট

এলাহাবাদ হাইকোর্টে ভিন্ন ধর্মীয় বিয়ে করা ৮ জন দম্পতি নিরাপত্তার দাবিতে মামলা দায়ের করেছিলেন। পিটিশনে তাঁরা জানিয়েছিলেন, বিয়ের পর হেনস্থা এবং হুমকির মুখোমুখি হচ্ছেন। সেই সঙ্গে তাদের বিবাহিত জীবনে যাতে পরিবার বা অন্য কেউ হস্তক্ষেপ করতে না পারে, তার নির্দেশ দেওয়ার জন্য পিটিশনে আবেদন জানানো হয়েছিল।

সওয়াল-জবারের পর কয়েকদিন আগে সেই মামলার পর্যবেক্ষণে বিচারপতি সরল শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন যে উত্তর প্রদেশের বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন অনুসরণ না করায়, বিয়েটি বৈধ নয়। এরপর তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন তিনি।

বিচারপতি জানিয়েছেন যে, আবেদনকারীরা যদি আইনের যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে বিয়ে করেন, তবে তাঁরা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।

উত্তর প্রদেশ সরকার ২০২১ সালে বেআইনি ধর্মান্তকরণ আইন প্রণয়ন করেছিল। এই আইনে ধর্মান্তকরণ বা জোর-জবরদস্তির মতো ঘটনা প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির এই আইন নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিমত। দেশের সাংস্কৃতিক ঐক্য রক্ষার জন্য এই ধরনের আইন প্রয়োজন বলে যুক্তি এক পক্ষের। অন্য পক্ষের দাবি, সংখ্যালঘুদের দমন এবং বাকস্বাধীনতাকে সীমিত করতেই এই ধরনের আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির আইনের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা একটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন।

এলাহাবাদ হাইকোর্টে দায়ের করা মামলার মধ্যে, পাঁচটি মুসলিম পুরুষ এবং হিন্দু মহিলার সঙ্গে বিয়ে সম্পর্কিত। তিনটি ক্ষেত্রে হিন্দু পুরুষ এবং মুসলিম মহিলার মধ্যে বিয়ে হয়েছিল।