সাধারণ নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা, ১০ বছরের কারাদণ্ড ইমরান খানের

পাকিস্তানের আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনের আগে আরও এক বড় ধাক্কা খেয়েছেন ইমরান খান। সরকারি গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের বিশেষ আদালত। ইমরানের পাশাপাশি তাঁর সরকারের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশিও একই শাস্তি পেয়েছেন।
গত বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই আমেরিকার বিরুদ্ধে মুখর ছিলেন ইমরান খান। তাঁর দাবি ছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাঁর সরকারের পতন চাইছিল। এই দাবির প্রমাণ হিসেবে তিনি একাধিক জনসভায় কূটনৈতিক তারবার্তা প্রকাশ করেছিলেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ইমরানের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, ইমরান সরকারি গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন। এই অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে সাইফার মামলা দায়ের করা হয়।
রায়ের পর ইমরান খান দাবি করেন, এই সাজা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, “আমি এই রায়কে অস্বীকার করি। এটি একটি ষড়যন্ত্র।”
ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু ইমরানের কারাদণ্ড এবং এখন ১০ বছরের সাজা, পিটিআইয়ের জন্য বড় ধাক্কা।
পাকিস্তান রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমরানের কারাদণ্ডের কারণে পিটিআই নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। এবার ১০ বছরের সাজা, পিটিআইকে নির্বাচনে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দিল।