বাংলার কাছে দেশকে পথ দেখানোর আহ্বান, শিলিগুড়িতে রাহুল গান্ধীর বক্তব্য

রবিবার শিলিগুড়িতে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা নিয়ে পৌঁছানোর পর রাহুল গান্ধী বলেন, “বাংলা একটি বিশেষ জায়গা। ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময়, বাঙালিরা তাদের বিরুদ্ধে আদর্শগত কাজ করেছিল। বাঙালিরা বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে চলার মানুষ। তাই বাঙালিদের দেশকে পথ দেখানোর দায়িত্ব রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুভাষচন্দ্র বোস এবং স্বামী বিবেকানন্দের মতো বাঙালি নেতা-কর্মীদের মধ্যে এই ক্ষমতা ছিল। তাই বাঙালিদের যদি দেশকে পথ না দেখায়, তাহলে দেশ তাদের মাফ করবে না।”

রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, তিনি এই বক্তব্যের মাধ্যমে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরোক্ষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিন অগ্নিবীর নিয়েও রাহুল গান্ধী মুখ খোলেন। তিনি বলেন, “আর্মি, নেভি এবং এয়ারফোর্সের বর্তমান প্রকল্পে, সেনাকর্মীদের জীবনকালের জন্য সুরক্ষা দেওয়া হয়। কিন্তু অগ্নিবীর প্রকল্পে, ৪ বছর পর ৭৫ শতাংশকে বাদ দেওয়া হবে। আর যদি কেউ শহীদ হন, তাহলে আর্মি যে ক্ষতিপূরণ পায়, তা অগ্নিবীর পাবে না। শহীদ ২ ধরণের হয় না। তাই শহীদের সম্মান একই হওয়া উচিত।”

রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর প্রকল্প দেশের যুবকদের জন্য একটি সুযোগ। এই প্রকল্পে যোগ দেওয়ার পর যুবকরা ৪ বছরের জন্য নিয়মিত বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবে। এরপর তারা চাইলে বেসামরিক ক্ষেত্রে চাকরি করতে পারবে অথবা আর্মি, নেভি বা এয়ারফোর্সে স্থায়ী চাকরি করতে পারবে।