“আমি ডাকু নই”! বললেন শঙ্কর, তাহলে ‘বালু’র চিঠির ‘ডাকু’ কে? ED তদন্তে নতুন মোড়

রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার বনগাঁর প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের লেখা চিঠিতে ‘ডাকু’ নামটি দেখে তাকেই ‘ডাকু’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল ইডি। কিন্তু সম্প্রতি শঙ্কর আঢ্য দাবি করেছেন, তিনি ‘ডাকু’ নন। তবে ইডির দাবি, শঙ্কর ইডিকে ভুল পথে চালিত করতেই ‘ডাকনাম’ অস্বীকার করছেন।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের লেখা চিঠিতে শেখ শাহজাহানের পাশে ‘ডাকু’ নামটি লেখা ছিল। সেই ‘ডাকু’ কে এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। ইডির দাবি ছিল, ‘ডাকু’ হলেন শঙ্কর আঢ্য। শঙ্করের বিরুদ্ধে পুরোনো কিছু মামলার কাগজপত্র, এফআইআর এর নথি ইতিমধ্যেই ইডির হাতে এসেছে। তাতেই কলকাতা হাই কোর্টের ২০১৯ সালের একটি ফৌজদারী মামলার নথিতে শিরোনামে ইংরেজি হরফে লেখা আছে ‘শঙ্কর আঢ্য ওরফে শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকু বনাম পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং অন্যান্য’। অর্থাৎ শঙ্করই যে ‘ডাকু’ এর প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

কিন্তু শঙ্কর আঢ্য দাবি করেছেন, তিনি ‘ডাকু’ নন। তিনি একটি মামলার কারণে আদালতে ‘ডাকু’ নামে পরিচিত। সেই মামলার পর থেকেই তাকে ‘ডাকু’ হিসেবে ডাকা হয়। তবে তিনি আসলে ‘ডাকু’ নন।

শঙ্কর আঢ্যর দাবি যদি সত্য হয়, তাহলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের লেখা চিঠিতে ‘ডাকু’ নামটি কার? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছ থেকে আরও তথ্য প্রয়োজন।

ইডির দাবি, শঙ্কর আঢ্য জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের রেশন দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার কাজে জড়িত। শঙ্করের কাছেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বহু টাকা ছিল। সেই টাকা দিয়ে শঙ্কর বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করেছে।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের রেশন দুর্নীতি মামলায় শঙ্কর আঢ্যর ভূমিকা কতটা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ইডির দাবি, শঙ্কর এই মামলার অন্যতম মুখ্য অভিযুক্ত।