রাজপথে না হোক, অযোধ্যার পথে, একসঙ্গে রামমন্দির দর্শনে শুভেন্দু-সুকান্ত-দিলীপ?

কলকাতার রাজপথে না হোক, অযোধ্যার পথে কি বঙ্গ-বিজেপির ঐক্যবদ্ধ চেহারা দেখা যাবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনও অনিশ্চিত। তবে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের মতো বঙ্গ-বিজেপির প্রথম সারির বিজেপি নেতারা।

সূত্রের খবর, এই তিন নেতা একসঙ্গে অযোধ্যা যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে, এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। রাজ্য বিজেপির একাংশ চাইছে, লোকসভা ভোটের আগে ঐক্যবদ্ধ রাজ্য বিজেপির বার্তা দিতে বাংলার গেরুয়া নেতারা সবাই একসঙ্গে অযোধ্যা যান।

রাজ্য স্তরের বিজেপির কোনও আন্দোলন কর্মসূচিতে সচরাচর সুকান্ত-শুভেন্দু-দিলীপকে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখা যায় না। শেষ তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ব্রিগেডে অরাজনৈতিক সংগঠনের ডাকে গীতাপাঠের আসরে। তা-ও তিনজনকে একসঙ্গে বসতে দেখা যায়নি সেখানে।

রাজ্য বিজেপির এক বর্ষীয়ান নেতার কথায়, ‘ওই তিন জনকে একসঙ্গে দেখা যায় শুধু অমিত শাহের মতো কোনও শীর্ষ নেতা রাজ্যে এলে। এতে দলের নিচুতলার কর্মীদের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। ঐক্যবদ্ধ বিজেপির বার্তা দিতে ওঁদের একসঙ্গে কোনও কর্মসূচি করা উচিত। অযোধ্যার মতো তীর্থস্থানে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতাদের একসঙ্গে দেখা গেলে সব থেকে ভালো।’

অন্যদিকে, রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য দল বেঁধেই অযোধ্যা যাওয়ার পরিকল্পনা সেরে ফেলেছেন। যদিও সেই দলে রাজ্য বিজেপির ক্ষমতাসীন শিবিরের কেউ নেই বলেই সূত্রের খবর।

এ রাজ্যের বিজেপি বিধায়করা অবশ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বার্তার অপেক্ষা করছেন। কানাঘুষোয় তাঁরা কেউ কেউ শুনেছেন, ফেব্রুয়ারিতে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ হলে শুভেন্দুই সব বিজেপি বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে অযোধ্যা যাবেন।

বিধানসভায় বিজেপির সচেতক মনোজ টিগ্গা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অযোধ্যায় আমরা সবাই যাব, এতে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু সবাই একসঙ্গে যাওয়া হবে কি না, সে সব কিছুই এখনও ঠিক হয়নি।’