সিঙ্গল বেঞ্চে আপাতত নয় প্রাথমিক মামলা, জেনেনিন কি বললো সুপ্রিমকোর্ট?

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এই মর্মে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেল প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
আবেদনকারীরা সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানান, যাতে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল জাজ বেঞ্চে যেন ওই মামলার শুনানি না হয়।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অভয়এস ওকার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানায়, কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল জাজ বেঞ্চ এই মামলার আর শুনানি করতে পারবে না।
মামলার পরবর্তী শুনানি হবে মার্চ মাসে।
আইনজ্ঞদের একাংশের বক্তব্য, ২০১৬ ও ২০২০ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও বড় অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছিল।
সেই সময় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি অমৃতা সিনহার নেতৃত্বাধীন দুই সিঙ্গল জাজ বেঞ্চে একাধিকবার এই মামলার শুনানি হয়।
সেই মামলাগুলিও আপাতত এই দুই বিচারপতির সিঙ্গল বেঞ্চে শুনানি হবে না।
কী কারণে এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হল?
সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মামলাগুলির শুনানি সিঙ্গল বেঞ্চে হলে, তাতে পক্ষপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই মামলাগুলির শুনানি একটি ডিভিশন বেঞ্চে করা উচিত।
এই রায়ের ফলে ২০১৪ সালের প্রাথমিকের টেট এবং ২০১৬ ও ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি আপাতত স্থগিত থাকবে।
এই রায়ের পর আবেদনকারীদের আইনজীবীরা বলেন, এই রায় ন্যায়বিচারের পক্ষে একটি বড় পদক্ষেপ।
তারা বলেন, সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলাগুলির শুনানি হলে, তাতে পক্ষপাতের সম্ভাবনা ছিল। তাই এই রায়ের ফলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।
রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকেও এই রায়কে স্বাগত জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এক কর্মকর্তা বলেন, এই রায়ের ফলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে।
তিনি বলেন, বিচারিক পর্যালোচনা শেষে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে।