শীর্ষে রয়েছে নিউ ইয়র্ক, বিশ্বের সেরা শহরের তালিকায় ভারতের একটি মাত্র শহর

টাইমস আউট ম্যাগাজিন বিশ্বের সেরা ৫০ শহরের তালিকায় ভারতের একমাত্র শহর হিসেবে স্থান দিয়েছে মুম্বইকে। দ্বাদশ স্থান পেয়েছে বাণিজ্য নগরী মুম্বই। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহর।

টাইমস আউট ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বের ২০ হাজার শহরের বাসিন্দাদের মতামতের ভিত্তিতে তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। সমীক্ষা চালানোর সময় খাদ্য, স্থাপত্য এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনের উপর বেশি করে জোর দেওয়া হয়েছিল।

সমীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে, প্রথম সেরা দশের তালিকায় নিউ ইয়র্ক এবং কেপটাউন ছাড়া তৃতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানির বার্লিন। ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন রয়েছে চতুর্থ স্থানে। পঞ্চম স্থানে স্পেনের মাদ্রিদ। এছাড়া, ষষ্ঠ স্থানে মেক্সিকো সিটি, সপ্তম স্থানে ব্রিটেনের লিভারপুল, অষ্টমে জাপানোর টোকিও এবং নবম স্থানে রয়েছে ইতালির রোম শহর। দশম স্থানে রয়েছে পর্তুগালের পোর্তা।

গত বছর সেরা ধনী শহরের তালিকা প্রকাশ করেছিল হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স নামে একটি সংস্থা। সেই তালিকায় শীর্ষে ছিল নিউ ইয়র্কের নাম। ভারত থেকে একমাত্র তালিকায় স্থান হয়েছিল মুম্বইয়ের। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে ছিল টোকিও এবং সান ফ্রান্সিসকো।

সমীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে, নিউ ইয়র্ক শহরে মিলিয়নিয়ারের বসবাস সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার। দ্বিতীয় স্থানে থাকা টোকিওতে ২ লাখ ৯০ হাজার মিলিয়নিয়ারের বসবাস। সান ফ্রান্সিসকোতে সেই সংখ্যা ২ লাখ ৮৫ হাজার। তালিকায় প্রথম কুড়ির মধ্যে মুম্বইয়ের স্থান না হলেও, বাণিজ্য নগরীতে মিলিয়নিয়ারের সংখ্যা ৫৯ হাজার বলে সমীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল।

মুম্বইকে ভালো করার ক্ষেত্রে খাবার, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। শহরটিতে বিভিন্ন ধরনের খাবারের সমাহার রয়েছে। এছাড়া, মুম্বই তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির জন্যও পরিচিত। শহরটিতে বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্য রয়েছে, যা মুম্বইকে একটি আকর্ষণীয় শহর করে তুলেছে।

টাইমস আউট ম্যাগাজিনের এই তালিকায় মুম্বইয়ের স্থান ভারতের জন্য একটি সুযোগ। এই তালিকায় স্থান পেয়ে মুম্বই বিশ্বের কাছে আরও পরিচিতি লাভ করবে। এছাড়া, এই তালিকায় স্থান পেয়ে মুম্বইয়ের পর্যটন শিল্পকেও উৎসাহিত করবে।

মুম্বইয়ের এই সাফল্য ভারতের অন্যান্য শহরদের জন্যও একটি চ্যালেঞ্জ। অন্যান্য শহরগুলোকেও খাবার, সংস্কৃতি এবং স্থাপত্যের উপর জোর দিতে হবে। এছাড়া, পরিবেশগত বিষয়গুলোও বিবেচনায় নিতে হবে।