৫ বছর আগে পরীক্ষা দিয়েও এখনও হয়নি জয়েনিং, বিক্ষোভ ICDS সুপারভাইজারদের

২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে ICDS সুপারভাইজার পদে PSC-র মাধ্যমে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ২হাজার ৯৩১ জন সফলভাবে ইন্টারভিউতে উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে প্যানেলে থাকা ১৩৬ জন চাকরি প্রার্থীকে নিয়োগ করা হলেও অর্থাৎ পোস্টিং হলেও বাকিদের এখনও নিয়োগ হয়নি।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি শুরু হওয়ার পাঁচ বছর পরও জয়েনিং না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে সল্টলেক শৈশালী ভবনের সামনে বুধবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান চাকরি পাওয়া ICDS সুপারভাইজাররা। এখানেই নারী ও শিশুবিকাশ এবং সমাজকল্যাণ বিভাগের সদর অফিস। পরে অফিসে ঢুকে তাঁরা আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিধাননগর থানার পুলিশ। চলে বাদানুবাদও। অভিযোগ, জোর করে আন্দোলনকারীদের সরাতে গিয়ে দু একজন অল্পবিস্তর জখমও হন। যদিও পুলিশ এই অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে।
আন্দোলনকারীদের দাবি, PSC নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরাসরি নিয়োগে ২৯০০ পদ এবং প্রোমোশনের মাধ্যমে ১০০০ পদে নিয়োগের কথা ছিল। দুটোর ক্ষেত্রে পরীক্ষাও আলাদা ছিল। ফলে নিয়োগ না করার কারণ হিসেবে প্রোমোশন পাওয়ার জন্য মামলা করেছে কিছুজন, এটা কারণ হতেই পারে না। দুটোর ক্ষেত্রে কোন যোগাযোগই নেই।
এছাড়াও, আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, মেডিক্যাল, পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট জমা করার পরেও দফতর হারিয়ে ফেলেছে সে কারণেই নিয়োগে দেরি হচ্ছে।
নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী শশী পাঁজা এই সময় ডিজিটাল-কে বলেছেন, ‘ICDS কর্মী যাঁরা, তাঁরা প্রোমোশনের মাধ্যমে এই পদে আসার জন্য মামলা করেছে। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন। সে কারণে যাঁরা সরাসরি সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ হয়েছেন, তাঁদের একটা বড় অংশ এখনও জয়েনিং পাননি।’
দফতরের এক কর্তা বলছেন, ‘জয়েনিং হবেই। স্বচ্ছভাবেই যা হওয়ার হবে। বাকি যা বলা হচ্ছে সবই ভিত্তিহীন।’