Sundarban : জিআই ট্যাগ বাড়াবে মধুর ‘মিষ্টতা’? দিন বদলের আশায় সুন্দরবনের মানুষরা

সুন্দরবনের মধুর জিআই স্বীকৃতি একটি সুখবর। তবে এই স্বীকৃতি পেতে মৌলেদের অনেক লড়াই করতে হয়েছে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গলে গিয়ে মধু সংগ্রহ করে।

সুন্দরবনের মধু

বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মৌলেরা বন দফতরের অনুমতি নিয়ে জঙ্গলে মধু সংগ্রহের জন্য যান। তারা গহন জঙ্গলে মৌচাক খুঁজে বের করে সেখান থেকে মধু সংগ্রহ করে। এই কাজটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ, জঙ্গলে নানান বিপদ রয়েছে। যেমন, সাপ, বাঘ, বিষধর পোকামাকড় ইত্যাদি।

মৌলেরা মধু সংগ্রহের জন্য মাথার পেছনে মুখোশ পরেন। এই মুখোশের উদ্দেশ্য হল জঙ্গলের প্রাণীদের ভয় দেখানো। তবে আসলে এই মুখোশই মৌলেদের জন্য মৃত্যুর ফাঁদ। কারণ, এই মুখোশের কারণে মৌমাছিরা আক্রমণ করে।

গত বছর সুন্দরবনে মোট ৫৭৬ জন মৌলে ২০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করেছেন। করোনা মহামারীর কারণে বাজারে মধুর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে মৌলেদের মধুর দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে এখনও তাদের আর্থিক অবস্থা খুব একটা উন্নত নয়।

জিআই স্বীকৃতির ফলে সুন্দরবনের মধুর চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে মৌলেদের আয়ও বাড়বে। তবে, মৌলেদের জীবনযাত্রার মান কতটা উন্নত হবে তা এখনই বলা মুশকিল।

সুন্দরবনের মধুর জিআই স্বীকৃতি একটি ইতিবাচক দিক। তবে, মৌলেদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে হলে সরকারের আরও উদ্যোগ নেওয়া দরকার।