নিষেধাজ্ঞায় বাজারে অগ্নিমূল্য, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবে ভারত?

টানা চতুর্থবার সরকার গঠন করার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।
আলোচনাকালে শেখ হাসিনা ভারতের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদী আশ্বাস দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।
ভারত থেকে বাংলাদেশ মূলত চাল, গম, পেঁয়াজ, আলু, চিনি, মসুর ডাল, ভোজ্য তেল, লবণ, ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করে। এর মধ্যে চাল, গম, পেঁয়াজ ও চিনি আমদানি নির্ভরশীলতার হার সবচেয়ে বেশি।
ভারত সরকারের রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এতে জনসাধারণের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আলোচনায় শেখ হাসিনা ও মোদী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা করেছেন। এছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসান ইসলাম টিটু বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি নিজেও ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে আলোচনা করবেন।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে নিয়মিতভাবে আমদানি অব্যাহত রাখতে চাই। সেই কারণে প্রতিবছর ভারত থেকে ১৫ লাখ টন চাল, ২০ লাখ টন গম, ১০ লাখ টন চিনি, ৬ লাখ টন পেঁয়াজ, ১ লাখ টন আদা এবং ৫০ হাজার টন রসুন আমদানির কোটা চেয়েছে বাংলাদেশ।”