OMG! ‘ভূতের তাণ্ডবে’ বন্ধ জিম! গোপন রহস্য ফাঁস করল ‘ডিটেকটিভ অফ সুপার ন্যাচারাল’

কাঁচরাপাড়ার বাঘমোরে জিম সেন্টারে কয়েক মাস ধরে অসুস্থতার ঘটনা ঘটছে। জিমে আসা অনেকেই হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন, কারও বা পিঠে আঁচড় লাগছে। এই ঘটনায় এলাকায় ভূতের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, যুক্তিবাদীরা বলছেন, এটি গণ হিস্টিরিয়ার একটি ঘটনা।
স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় দীর্ঘ ৪০ থেকে ৫০ বছর ধরে বসবাস করছেন। এই ধরনের ঘটনা তারা কোনওদিন দেখেননি বা শোনেননি। তারা মনে করেন, জিমের ভিতরে কোনও ভূত বা আত্মার অস্তিত্ব রয়েছে।
জিম কর্তৃপক্ষের দাবি, জিমটি মাত্র ছয় মাস হল খোলা হয়েছে। যিনি বিল্ডিং তৈরি করেছিলেন তাঁকেও নাকি একাধিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। তিনিও ভূতের আতঙ্কে ভুগতেন।
ডিটেকটিভ অফ সুপারন্যাচারাল (DOS)-এর প্রতিষ্ঠাতা দেবরাজ সান্যাল বলেন, জিমে গ্যাস লিকের সম্ভাবনাও রয়েছে। তিনি বলেন, “জিমটি পরিদর্শন করে আমরা দেখেছি যে সেখানে কোনও অস্বাভাবিক দৃশ্য নজরে আসেনি। তবে, গ্যাস লিকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছি না। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
সারাভারত বিজ্ঞান যুক্তিবাদী সংস্থার সম্পাদক দীপক চক্রবর্তী বলেন, “পুরো বিষয়টি গণ হিস্টিরিয়ার আকার ধারণ করেছে। ভূত, জিন বলে কিছু হয় না। পুরোটাই কুসংস্কার। যাঁরা এই ধরনের আতঙ্কে ভুগছেন তাঁদের মনরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এগুলো মানসিক সমস্যা।”
কী ঘটছে কাঁচরাপাড়ার জিমে?
কাঁচরাপাড়ার বাঘমোরে জিম সেন্টারে অসুস্থতার ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে, দুটি সম্ভাব্য কারণ রয়েছে:
গ্যাস লিক: জিমে গ্যাস লিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গ্যাস লিক হলে তা মানুষের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে অজ্ঞান হয়ে পড়া, পিঠে আঁচড় লাগা, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
মানসিক সমস্যা: গণ হিস্টিরিয়ার কারণেও এই ঘটনা ঘটতে পারে। যখন একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষ একই ধরনের আতঙ্কে ভুগতে থাকে, তখন তাকে গণ হিস্টিরিয়া বলা হয়। গণ হিস্টিরিয়ার কারণে মানুষ অবাস্তব কিছু দেখতে বা শুনতে পাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা করতে পারে।