মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করল যোগী সরকার, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলো বোর্ড

উত্তরপ্রদেশ সরকারের সিদ্ধান্তে মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা পরিষদের চেয়ারম্যান ইফতিখার আহমেদ জাভেদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করেছেন।

জাভেদ তার চিঠিতে লিখেছেন, মাদ্রাসা আধুনিকীকরণ প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ করা শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করা হলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এই শিক্ষকদের বেশিরভাগই অনগ্রসর শ্রেণীর, এবং তারা এই সাম্মানিক ভাতায় নির্ভরশীল।

জাভেদ আরও লিখেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১-২২ আর্থিক বছর পর্যন্ত এই প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার এই বছরের ৫ জানুয়ারি থেকে এই প্রকল্পের অধীনে শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করে দিয়েছে।

রাজ্য সরকারের সংখ্যালঘু কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড্যানিশ আজাদ আনসারি এই বিতর্কের জবাবে বলেছেন, সরকার গত বছর পর্যন্ত শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করবে। তবে তিনি সাম্মানিক ভাতার উপর স্থগিতাদেশের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচকরা বলছেন, এটি মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি নেতিবাচক পদক্ষেপ। তারা বলছেন, এই শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করা হলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, এবং এর ফলে মাদ্রাসায় শিক্ষার মান নিম্নমুখী হবে।

বিতর্কের দিকসমূহ

এই বিতর্কের মূল দিকগুলি হল:

মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা বন্ধ করা কি ন্যায্য?
এই সিদ্ধান্তের ফলে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে কিনা?

সরকারের এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কি?
এই বিতর্কের সমাধানের জন্য সরকারকে একটি সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সরকারকে এই শিক্ষকদের সাম্মানিক ভাতা পুনরুদ্ধার করা উচিত, এবং মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত।