মেয়াদ ফুরোলেও ছাড়েননি দিল্লির বাংলো, মহুয়াকে পাঠানো হলো শোকজ নোটিশ

গত ৮ ডিসেম্বর লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয় তৃণমূলের কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে। সাংসদ থাকাকালীন তাঁকে দিল্লির একটি সরকারি বাংলো বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বহিষ্কারের পরও তিনি সেই বাংলোতে থাকছেন।

গত ৭ জানুয়ারি মহুয়া মৈত্রকে সরকারি বাংলো খালি করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু, তিনি সেই নির্দেশ অমান্য করেন।

এবার, ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট (DoE) মহুয়া মৈত্রকে একটি শোকজ নোটিশ জারি করে। সেই নোটিশে মহুয়াকে বহিষ্কারের পরও সরকারি বাংলোতে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।

নোটিশে মহুয়াকে আগামী তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে, মহুয়া মৈত্র দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে মার্চ মাস পর্যন্ত তাঁকে দিল্লির বাংলোতে থাকতে দেওয়া হোক। কিন্তু, আদালত তাঁকে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে আবেদন জানানোর নির্দেশ দেয়।

আদালত জানিয়েছিল, নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকারি বাংলোর বাসিন্দাদের বাড়তি সময়ের জন্য থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের ভাড়াও গুণতে হয়।

তবে, মহুয়ার ক্ষেত্রে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের হাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছেড়ে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। তবে আইন মেনে, নোটিশ দিয়ে তবেই বাংলো খালি করার প্রক্রিয়া শুরু করার কথাও উল্লেখ করে আদালত।

এদিকে, মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে টাকা এবং উপহার নিয়ে সংসদে আদানি সম্পর্কে প্রশ্ন করার পাশাপাশি নিজের লোকসভার লগ ইন আইডি পাসওয়ার্ড শেয়ার করারও অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে লোকসভা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

বর্তমানে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।