‘কোনও সমস্যা হলে আলোচনায় মিটিয়ে নেব’, ক্ষমতায় এসে ভারত নিয়ে মন্তব্য শেখ হাসিনার

রবিবার বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। টানা চারবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শেখ হাসিনা। এই নির্বাচনে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো অংশগ্রহণ করেনি। এছাড়াও, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়নি। এই নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নির্বাচনের পর গণভবনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “ভারত আমাদের বিশ্বস্ত বন্ধু। আমরা ভারতের সঙ্গে সব সময়ই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছি। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমাদেরকে সাহায্য করেছিল ভারত, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান হত্যার পরে আমাকে এবং আমার বোন রেহেনাকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত।”
তিনি বলেন, “আমরা ভারতের সঙ্গে সব সময় সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার পক্ষপাতী। যদি আমাদের মধ্যে কোথাও কোনও ক্ষেত্রে সমস্যা হয় তাহলে আমরা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে তা মিটিয়ে ফেলি। আগামী দিনেও আমরা একই নীতি নিয়ে চলব।”
এবারের নির্বাচনে বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণ না করা এবং প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়নি, এই বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “একটি বা দুটি দল ভোটে অংশগ্রহণ না করলে গণতন্ত্র নেই সেই কথা বলা যাবে না। আর যারা আগুন জ্বালিয়ে, মানুষ মারার কাজ করছে সেটাকে রাজনৈতিক কাজ বলা যায় না। তাদের কার্যকলাপ সন্ত্রাসবাদীদের মতন আর এখন মানুষ তাদের কথা শুনতে চায় না। আমাদের মূল লক্ষ্য হল মানুষের অংশগ্রহণ।”
তিনি বলেন, “আমার দায়বদ্ধতা আছে একমাত্র মানুষের কাছে। যারা সমালোচনা করছেন তাদের সেই অধিকার আছে। কিন্তু বিশ্বাস আছে মানুষের জন্য কাজ এবং গণতন্ত্রের প্রতি।”
শেখ হাসিনা বলেন, এবার তাঁর লক্ষ্য বাংলাদেশের আর্থিক উন্নয়ন এবং মানুষের উন্নততর জীবন। তিনি বলেন, “আমি চাই বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশ হোক। মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হোক।”
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু এবং তারা সব সময়ই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলতে চায়। এছাড়াও, তিনি বলেছেন, তাঁর দায়বদ্ধতা আছে একমাত্র মানুষের কাছে এবং তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন।