ট্রেনে স্বামীর মৃত্যু, টের পাননি স্ত্রী, ১৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার মৃতদেহ

আমেদাবাদ থেকে অযোধাগামী সবরমতী এক্সপ্রেসে ট্রেনে স্বামীর মৃত্যুর পর ১৩ ঘণ্টা ধরে মৃতদেহের সঙ্গে সফর করেছেন স্ত্রী।
জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম রামকুমার। তিনি তার স্ত্রী, দুই সন্তান এবং সঙ্গী সুরেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে সুরাট থেকে অযোধাতে যাচ্ছিলেন। ট্রেনে রামকুমার ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু, কয়েক ঘণ্টা পরও তিনি না ওঠায় সন্দেহ সুরেশের। তিনি তাকে ঝাঁকাতে গিয়ে বুঝতে পারেন রামকুমার মারা গিয়েছেন।
রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ট্রেনটি ঝাঁসির বীরাঙ্গনা লক্ষ্মীবাই রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছলে জিআরপির সহায়তায় রামকুমারের দেহ ট্রেন থেকে নামানো হয়। পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
মৃতের স্ত্রী প্রেমা বলেন, তিনি যখন রাত ৮টায় উঠছিলেন তখন তিনি লক্ষ্য করেন তার স্বামী কথা বলছেন না। তবে শরীর গরম থাকায় তিনি কিছুই বুঝতে পারেননি। তিনি তাকে জাগানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, কোনও সাড়া শব্দ না পাওয়ায় তিনি ভেবেছিলেন তার স্বামী ঘুমাচ্ছে।
মৃতের সঙ্গী সুরেশ যাদব বলেন, “রামকুমার অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। সুরাটে গাড়ি চালাতেন। চিকিৎসার জন্য অনেক জায়গায় গিয়েছেন। কিন্তু সুস্থ হননি। এজন্য আমরা তাকে ফৈজাবাদে নিয়ে যাচ্ছিলাম। ট্রেনে কথা বলতে বলতে তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তিনি কোথায় মারা গিয়েছেন তা জানা যায়নি। ভয়ে ট্রেনে কাউকে জানাইনি।”