ভাড়া বাড়ান, না হলে ফুটুন! জনতার ভোগান্তির আর এক নাম অ্যাপ-বাইক

কলকাতায় অ্যাপ-বাইক ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করছেন, বাইক চালকেরা ভাড়া বাড়াতে চাইলে বুকিং ক্যানসেল করে দেন। এমনকি, কিছু ক্ষেত্রে ধমকের সুরে ভাড়া বাড়ানোর দাবি করা হয়।

কেষ্টপুরের মানিক সরকার বলেন, “আমি হাওড়া স্টেশনে যাওয়ার জন্য একটি অ্যাপ-বাইক বুক করি। ভাড়া দেখায় ১৩০ টাকা। কিন্তু বাইক চালক এসে আমাকে বলেন, এই ভাড়ায় যাব না। আড়াইশো টাকা দিতে হবে। আমি রাজি হইনি। তাই বুকিং ক্যানসেল করে দেন।”

বেহালার সুরমা সেনগুপ্ত বলেন, “প্রথম দিকে এমনটা হতো না। কেউ কেউ ১০-২০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করতেন। কিন্তু এখন সরাসরি বেশি টাকা দাবি করেন। রাজি না হলে বুকিং ক্যানসেল করে দেন।”

ইএম বাইপাসের রুবি চক্রবর্তী বলেন, “আমি এখন আর অ্যাপ-বাইকে চড়তে পারছি না। বেশিরভাগ বাইক চালকের ব্যবহার খারাপ।”

বাইক চালকেরা বলছেন, অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে সংস্থা থেকে টাকা মেলে ২৪ ঘণ্টা থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর। সার্ভিস চার্জ কেটেই টাকা দেওয়া হয়। অথচ নগদের প্রয়োজন থাকে। অনেকের কাছে টাকা না থাকায় তেল ভরতে সমস্যা হয়। তবে হেলমেট যে সব সময়ে উন্নত মানের থাকে না, সেটা একান্তে অনেকেই মানছেন।

যাত্রীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।