‘রংবাজি’ হামলা নিয়ে উত্তাল সংসদ! সাসপেন্ড হলেন ডেরেক সহ ১৫ বিরোধী সাংসদ, দেখেনিন তালিকা

বুধবার সংসদে অনুপ্রবেশকারীদের গ্যাস হামলার ঘটনায় সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বৃহস্পতিবার এই ইস্যুতে সংসদে তুলকালাম বেধে যায়। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগ তুলে দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ১৫ জন বিরোধী সদস্যকে শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে।
লোকসভায় বিক্ষোভ
লোকসভার অধিবেশন শুরুর পরই সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার দাবিতে সরব হয় বিরোধীরা। দিনের সমস্ত কার্যক্রম বাদ দিয়ে এই ইস্যুতে আলোচনার দাবি করে তারা। কিন্তু স্পিকার ওম বিড়লা বিরোধীদের দাবি খারিজ করে দেন। এরপর বিরোধীরা ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে।
বিক্ষোভের সময় বিরোধীরা সভার কাগজপত্র শূন্যে ওড়াতে থাকেন। এরপর অসংসদীয় আচরণের অভিযোগ তুলে ১৪ জন বিরোধী সাংসদকে শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলির জন্য বরখাস্ত করা হয়।
রাজ্যসভায়ও উত্তেজনা
রাজ্যসভায়ও বিরোধীরা সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভের সময় তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন সভার কাগজপত্র ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাসপেন্ড হন।
মোট ১৫ জন সাংসদ সাসপেন্ড
সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ১৫ জন বিরোধী সাংসদ সাসপেন্ড করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৯ জন কংগ্রেস, ২ জন সিপিএম, ২ জন ডিএমকে এবং একজন করে সিপিআই ও তৃণমূল সাংসদ রয়েছেন।
বিরোধীদের অভিযোগ
বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। অনুপ্রবেশকারীরা এত সহজেই সংসদে ঢুকে গ্যাস হামলা করতে পেরেছে, তাতে সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতা স্পষ্ট।
সরকারের বক্তব্য
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তদন্ত করছে।
অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে কী হবে?
সংসদের নিরাপত্তা ইস্যুতে বিরোধীরা জমি ছাড়াতে রাজি নন বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতেও সংসদ অচল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।