SPORTS: বোলাররা ইয়র্কার ঠিক করে ফেলতে পারেনি, বড় রান করেও হেরে গিয়ে হতাশ ওয়েড

বিশ্বকাপের পর প্রথম সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করল টিম ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার বিশাখাপত্তনমে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত দল। তবে জয়টি সহজ ছিল না। টানটান উত্তেজনা ভরা এই ম্যাচে ভারত একটি বড় রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ২ উইকেটে জয় পায়।

টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় ভারত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। শতরান করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার জশ ইংলিস। ৫০ বলে ১১০ রান করেন তিনি। এছাড়াও ৪১ বলে ৫২ রানের ইনিংস আসে স্টিভ স্মিথের ব্যাট থেকে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পান রবি বিষ্ণোই ও আর্শদীপ সিং।

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে দ্রুত দুটি উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও ইশান কিষানের একটি বড়ো পার্টনারশিপের সাহায্যে ম্যাচে ফেরে টিম ইন্ডিয়া। ৪২ বল খেলে ৮০ রান করেন সূর্যকুমার যাদব এবং ৩৯ বল খেলে ৫৮ রান করেন ইশান কিষান। তবে মাঝে লাগাতার উইকেট পড়তে থাকায় ম্যাচ গড়ায় শেষ বল অবধি।

শেষ বলে শন অ্যাবটেকের করা বলে ছক্কা মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন রিঙ্কু সিং। তিনি অপরাজিত থাকেন ২২ রানে। ম্যাচের সেরা হন সূর্যকুমার যাদব।

এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। পরবর্তী ম্যাচটি খেলা হবে আগামী শনিবার, ২৫শে নভেম্বর, হায়দ্রাবাদে।

অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডের প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ শেষে অজি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড বলেন, “খুব ভালো একটা ম্যাচে খেলেছে দুই দল। জশ ইংলিস খুব ভালো ব্যাট করেছে। ও আমাদের এমন একটা স্কোরে পৌঁছে দেয় আমরা আশা করেছিলাম ম্যাচটা জিতব। তবে ভারত আমাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে। নবীন এই ভারতীয় ক্রিকেটাররা প্রচুর আইপিএল খেলে। ওরা প্রচুর টি-২০ ম্যাচ খেলে। আমি মনে করি তাও আমরা যথেষ্ট ভালো বল করেছি। তবে সময় সময় আজকে আমরা সঠিকভাবে ইয়র্কার বল করতে পারিনি। এই ধরনের ছোট মাঠে অবশ্য সেটা বলা সহজ। তবে কাজে করে দেখানো খুব কঠিন।”

ওয়েড আরও বলেন, “এই ম্যাচ থেকে আমাদের অনেক কিছু পজিটিভ নেওয়ার রয়েছে। ইংলিস অনবদ্য খেলেছে। আমি মনে করি আমরা যথেষ্ট ভালো খেলেছি। এলিস আমাদের জন্য ভালো একটা ওভার বল করেছে। ওর কারণেই ম্যাচটা আমরা শেষ ওভারের শেষ বল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছি। ম্যাচটা শেষ বল পর্যন্ত গিয়ে ফয়সালা হয়েছে। এর থেকেই বোঝা যায় কতটা ক্লোজ ছিল ম্যাচটা। কোনও দল কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি।”

রিঙ্কু সিংয়ের ভূমিকা

অবশেষে শেষ বলে ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতিয়েছেন রিঙ্কু সিং। তবে ম্যাচে তার অবদান শুধুমাত্র শেষ বলে সীমাবদ্ধ ছিল না। ৪২ বলে ২২ রান করে তিনি দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রিঙ্কু সিংয়ের এই ইনিংসটি তার টি-২০ ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস।