বাঘের আতঙ্ক জাল দিয়ে ঘেরা হলো গ্রাম, উস্কে দিলো দু বছর আগের স্মৃতি

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শ্রীধরপুর বাহের বাঘের আতঙ্ক কাটছে না। গত কয়েক মাসে এই এলাকায় বাঘের হামলায় একাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা জাল দিয়ে গ্রাম ঘেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গতকাল, গ্রামবাসীরা বাহের চারপাশে একটি জাল টানিয়ে দেয়। এই জালটি ৫০ ফুট উঁচু এবং ৫০০ ফুট দীর্ঘ। জালের ভেতরে একটি গেট রয়েছে, যা দিয়ে গ্রামবাসীরা প্রবেশ ও বের হতে পারবেন।
গ্রামের প্রধান, সত্যজিৎ মণ্ডল বলেন, “আমরা এই জালটি টানিয়ে দিয়েছি যাতে বাঘরা গ্রামে ঢুকতে না পারে। আমরা আশা করি এই পদক্ষেপটি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”
বাঘের হামলার ঘটনায় গ্রামবাসীরা খুবই আতঙ্কিত। তারা রাতে ঘুমাতে পারে না। তারা দিনের বেলাও সাবধানে চলাফেরা করে।
গত ১৬ জুলাই, শ্রীধরপুর বাহের বাঘের হামলায় এক ব্যক্তি আহত হন। আহত ব্যক্তির নাম সুভাষ মণ্ডল। তিনি বাহের কাছে একটি চাষের জমিতে কাজ করছিলেন। হঠাৎ করে একটি বাঘ তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সুভাষ মণ্ডল প্রাণে বেঁচে গেলেও তার পায়ে গুরুতর জখম হয়।
গত ৬ জুলাই, বাহের বাঘের হামলায় এক শিশু আহত হয়। শিশুটির নাম সুজন মণ্ডল। সে বাহের কাছে একটি পুকুরে গোসল করছিল। হঠাৎ করে একটি বাঘ তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সুজন মণ্ডল প্রাণে বেঁচে গেলেও তার শরীরে বেশ কয়েকটি কামড়ের চিহ্ন ছিল।
এই ঘটনার পর, বাহের আশেপাশের এলাকায় বাঘ শিকারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে, এখনও পর্যন্ত একটিও বাঘ ধরা পড়েনি।
জাল দিয়ে গ্রাম ঘেরার পরও বাঘের আতঙ্ক কাটছে না
শ্রীধরপুর বাহের চারপাশে জাল দিয়ে ঘেরার পরও বাঘের আতঙ্ক কাটছে না। গ্রামবাসীরা এখনও রাতে ঘুমাতে পারে না। তারা দিনের বেলাও সাবধানে চলাফেরা করে।
গ্রামের প্রধান, সত্যজিৎ মণ্ডল বলেন, “জাল দিয়ে গ্রাম ঘেরা হলেও বাঘরা এখনও গ্রামের আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমরা আতঙ্কে আছি।”
গ্রামবাসীরা বলছেন, বাঘের হামলার ঘটনায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তারা সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছেন।