খুনের পর তরুণীর বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে সান্ত্বনা, লাবনী খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য এলো প্রকাশ্যে

মন্দারমণির চাঁদপুর সৈকতে এক তরুণীর অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, নিহত তরুণীর সঙ্গে তাঁর দিদির দেওরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এই সম্পর্কের জেরেই তরুণীকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে।
নিহত তরুণীর নাম লাবণী দাস। তিনি নদিয়ার তাহেরপুরের বাসিন্দা। তিনি কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাঁর দিদির বিয়ে হয়েছিল ব্যারাকপুরের এক যুবকের সঙ্গে। সেই যুবকের নাম প্রলয় দাস। প্রলয় দাসও এক ক্যাব চালক।
পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, লাবণী ও প্রলয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। লাবণী প্রায়ই সোদপুরে বিউটি পার্লারে যাওয়ার নাম করে প্রলয়ের দমদমের বাড়িতে থাকতেন।
কিন্তু সম্প্রতি প্রলয় অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই সম্পর্কের জেরেই লাবণী ও প্রলয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়।
গত ২ সেপ্টেম্বর লাবণী প্রলয়ের সঙ্গে মন্দারমণিতে ঘুরতে যান। সেখানে তাদের মধ্যে আবার ঝগড়া হয়। প্রলয় লাবণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন।
পুলিশের অনুসন্ধানে প্রলয় ও তাঁর এক বন্ধু মনোজকুমার গোস্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রলয় খুনের কথা স্বীকার করেছেন।
লাবণীর বাবা-মা ও দিদির প্রতিক্রিয়া
লাবণীর বাবা-মা ও দিদির প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, “প্রলয়কে আমরা নিজের ছেলের মতো স্নেহ করতাম। সে আমাদের বাড়িতে এলে ছোট মেয়েকে বোন বলেই ডাকত। মেয়ে খুনের পরে সান্ত্বনা দিতে দমদম থেকে ছুটে এসেছিল। সেই ছেলে এই কাণ্ড করল? আমরা হতবাক।”
পুলিশের অভিমত
পুলিশের অভিমত, প্রলয়ের অন্য মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ায় লাবণীকে খুন করার পরিকল্পনা করেন। তিনি মন্দারমণিতে লাবণীকে শ্বাসরোধ করে খুন করেন।