“নওশাদ সিদ্দিকীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ভাঙড় ছাড়া করব”- হুঁশিয়ারি দিলেন আরাবুল

আরাবুল ইসলাম নওশাদ সিদ্দিকীকে তার ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ভাঙড় ছাড়া করার হুঁশিয়ারি দিলেন। ভাঙড়ের কাশিপুরে জনসমাবেশে ভাঙড়ের বিধায়ককে সতর্ক করেছিলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল। আইএসএফ সমর্থকদের ভাঙড় ছাড়া করার হুমকি দেন তিনি। তিনি বলেছেন: “যারা নওশাদ সিদ্দিকীর পতাকা অর্থাৎ আইএসএফের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ৮ তারিখের পর তাঁদের এলাকা ছাড়ার করব।”
নির্বাচনের আগে সোমবার বিকেলে শোনপুর থেকে ভাঙড়ের কাশিপুর পর্যন্ত পদযাত্রা করে তৃণমূল কংগ্রেস। ক্যানিং পূর্ব তৃণমূলের বিধায়ক সওকত মোল্লা, আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে হাকিমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এবার জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছেন হাকিমুল। মিছিলের পর কাশীপুরে সভা করে তৃণমূল। এ বৈঠকে আরাবুল নওশাদকে সতর্ক করে বলেন, “বাইরে থেকে গুন্ডা নিয়ে এসে ভাঙড়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে নওশাদ। এ সব বরদাস্ত করা হবে না। ৮ তারিখের পর ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দেওয়া হবে নওশাদকে।
তবে আরাবোলের হুমকি গায়ে মাখতে চাননি নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “আমি কোনও অসংসদীয় শব্দ ব্যবহার করব না। মানুষকে নিয়ে রাজনীতি করি। ভোটের বাক্সেই এর জবাব দেব। ভাঙড়ে শান্তি থাকুক তৃণমূল চায় না। তাই এ ধরণের উস্কানিমূলক কথা বলে এলাকায় অশান্তি পাকাচ্ছে।”
এদিকে, নির্বাচনের প্রাক্কালে আইএসএফ এবং তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব আবার তুঙ্গে। সোমবার রাতে ব্যাপক বোমা বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সোমবার রাতে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেশিক্ষণ ওই এলাকায় পুলিশ ঢুকতে পারেনি বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর বিশাল বাহিনী এলাকায় প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইএসএফ পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। তাদের মতে, পুলিশ আইএসএফ কর্মীদে গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকার দখল কার থাকবে সেই নিয়ে এদিনের ঝামেলার সূত্রপাত ।