মোদির পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী, রইলো সেই ভিডিও

ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা (এফআইপিআইসি) ফোরামের তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করেছে দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনি। এই সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার পাপুয়া নিউ গিনিতে পৌঁছানো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিশেষভাবে স্বাগত জানিয়েছে দেশটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে শেয়ার করা ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বিজেপির এক ভিডিওতে দেখা যায়, পাপুয়া নিউ গিনির একটি ব্মিানবন্দরে বিমান থেকে নামছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তাকে জড়িয়ে ধরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী জেমস ম্যারাপে। এর পরপরই নরেন্দ্র মোদির পা ছুঁয়ে তাকে প্রণাম করেন তিনি।

ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, পাপুয়া নিউ গিনি সাধারণত সূর্যাস্তের পরে সফরকারী বিদেশি কোনও নেতাকে আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানায় না। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদির ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমভাবে অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়। তিনি পাপুয়া নিউ গিনির স্থানীয় সময় রাত ১০টার পর বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানাতে ছুটে আসেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ম্যারাপে।

এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েকটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, পাপুয়া নিউ গিনিতে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে এসে আমাকে স্বাগত জানানোর জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী জেমস ম্যারাপের প্রতি কৃতজ্ঞ। অত্যন্ত বিশেষ এই দৃষ্টিভঙ্গি আমি সবসময় মনে রাখব। আমার সফরের সময় মহান এই দেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক জোরদার করার জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছি।

বিজেপির শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, বিমান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে ধরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ম্যারাপে। এর পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন তিনি। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আগে আবারও পরস্পরকে জড়িয়ে ধরেন তারা।

জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি৭ এর শীর্ষ সম্মেলন শেষে রোববার পাপুয়া নিউ গিনিতে যান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে গার্ড অব অনার ও বন্দুক থেকে ১৯টি গুলি ছুড়ে অভ্যর্থনা জানানো হয়।

ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপ রাষ্ট্রের মাঝে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। ২০২১ সালে ভারতের কাছ থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম বড় চালান পেয়েছিল পাপুয়া নিউ গিনি। করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনের সংকট যখন চরমে পৌঁছায়, সেই সময় ভারত দেশটির পাশে দাঁড়ায়।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ সহযোগিতা ফোরামের সদস্যদের মধ্যে কুক দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু, নিউ, পালাউ, পাপুয়া নিউ গিনি, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু এবং ভানুয়াতুও রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *