OMG! সহজেই খেয়ে ফেলা যায় এই সিন্দুক আর ভেতরে লুকোনো ‘সোনার বার!’

দেখতে ছোটখাটো হলেও আস্ত একটা সিন্দুক। এর ভেতরে নিশ্চিন্তে রেখে দেওয়া যায় সোনার বার। আর একটা সুবিধাও আছে। মাঝরাত্রে খিদে পেলে টুক করে কামড়ে খেয়ে ফেলতে পারবেন এই সিন্দুক, এমনকি ভেতরে রাখা সোনাদানাও!

ভাবছেন, তা কী করে সম্ভব? আসলে এমন অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখানোই তো কাজ পেস্ট্রি শেফ আমোরি গিচোনের। দুর্দান্ত সব কেক-পেস্ট্রি বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিতে ওস্তাদ এই রন্ধনশিল্পী। উপরে বলা সিন্দুকখানা তারই বানানো, পুরোটাই চকলেট দিয়ে! এমনকি, সিন্দুকের ভেতরে থাকা সোনার বারগুলোও আসলে আমোরির নিপুন হাতে বানানো চকলেট বার, যা দেখলে সোনার বার বলে ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক!

নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে সেই সিন্দুক তৈরির বিস্তারিত ভিডিও পোস্ট করেছেন আমোরি। তা দেখেই চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের। বেস বানানোর পর একে একে তৈরি হল চার ধারের দেওয়াল, মাথার ছাদ, পুরোটাই চকলেট দিয়ে। তারপর চকলেট দিয়েই দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের মতোই আমোরি বানিয়ে ফেললেন সিন্দুকের কলকবজা। জায়গা মতো সেসব ফিট করার পর জুড়ে গেল দরজাও। সব শেষে পড়ল ঝকঝকে রুপালি রঙের পোঁচ।

সিন্দুকের কাজ শেষ। এবার তৈরি হবে সোনার বিস্কুট। মোল্ডের মধ্যে গাঢ় ক্যারামেল আর গলানো চকলেট জমিয়ে সবশেষে সোনালি রঙের পোঁচ পড়তেই রেডি চোখ ধাঁধানো সোনার বার। সিন্দুকের মধ্যে সেগুলো ঢুকিয়ে নিজেই দেখিয়ে দিলেন আমোরি। ইন্সটায় সম্পূর্ণ পদ্ধতি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘চকলেটের সিন্দুক। ছোট্ট সোনার বারগুলোও দারুণ! ওগুলোকে সিন্দুকে চাবি দিয়ে রাখাই ভাল।’

এখন পর্যন্ত ১ কোটিরও বেশি মানুষ দেখে ফেলেছেন সেই ভিডিও। নেটিজেনরা প্রশংসার বন্যায় ভরিয়ে দিয়েছেন সুইস-ফরাসি শেফ আমোরিকে।

সূত্র: নিউজ বাংলা ১৮

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *